বেজিং: গল্প হলেও সত্যি! সম্প্রতি সাপের গলব্লাডার খেয়ে ফেলেছিলেন এক চিনা নাগরিক। দিন কয়েকের মধ্যেই তাঁর ফুসফুসে মিলল জ্যান্ত সাপ ও কৃমি। বিরল এই ঘটনায় চোখ কপালে উঠেছে অনেকের। বিশেষজ্ঞরাও রীতিমতো আলোচনা শুরু করে দিয়েছেন এই ঘটনা নিয়ে।

বছরের পর বছর ধরে চিনে সামুদ্রিক খাবার বেশ জনপ্রিয়। সমুদ্র থেকে মেলা কাঁকড়া, শামুক-সহ একাধিক খাবার অনেক সময়েই কাঁচা খেয়ে ফেলেন চিনারা। সংবাদসংস্থা ডেইলি মেলের খবর অনুযায়ী, সম্প্রতি চিনের বাসিন্দা ওয়াং নামে এক ব্যক্তি বিভিন্ন সামুদ্রিক খাবারের সঙ্গে কাঁচাই খেয়ে নিয়েছিলেন সাপের পিত্তকোষ বা গলব্লাডার।

দিন কয়েকের মধ্যেই শারীরিক অসুস্থতা বোধ করতে থাকেন ওই ব্যক্তি। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান ওই ব্যক্তি। তখনও ভাবেননি কী অপেক্ষা করছে তার জন্য। চিকিৎসকের পরামর্শে সিটিস্ক্যান করানো হয় ওই ব্যক্তির। সেই সিটি স্ক্যানেই চক্ষু চড়কগাছ প্রত্যেকের।

সিটি স্ক্যানে ধরা পড়ে, চিনা ওই নাগরিকের ফুসফুসে কিলবিল করছে সাপ এবং কৃমি। চিকিৎসকদের ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন, তিনি শামুক, চিংড়ি-সহ অন্য সব সামুদ্রিক খাবার খেতে পছন্দ করেন। কিছুদিন আগেই একটি সাপের পিত্তকোষ বা গলব্লাডার কাঁচা খেয়ে নিয়েছিলেন তিনি।

এদিকে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সামুদ্রিক কাঁচা খাবারের মধ্যে কৃমির ডিম থাকে। সেই ডিম থেকেই সম্ভবত ওয়াং নামে ওই ব্যক্তির ফুসফুসে কুচো কৃমি বাসা বেঁধেছিল বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.