স্টাফ রিপোর্টার,মালদহ: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা থেকে জালনোট পাচারের এক পান্ডাকে গ্রেফতার করল রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকার ভারতীয় জালনোট। উদ্ধার হওয়া জালনোটগুলি সবই দুই হাজার টাকার। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বৈষ্ণবনগর থানার বাখরাবাদ এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,ধৃত জালনোট কারবারীর নাম মোশারফ শেখ (৬০)। বাড়ি মালদহের বৈষ্ণবনগর থানার বাখরাবাদ চর এলাকায়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার রাজ্য এসটিএফের কর্তারা মালদহে এসে বাখরাবাদ এলাকায় ফাঁদ পাতেন।

এরপরই বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মোশারফ শেখের বাড়িতেই অভিযান চালায় এসটিএফের কর্তারা । আর সেই অভিযুক্তের বাড়ি থেকেই দুই হাজার টাকার মোট ৯৫ টি জাল নোট উদ্ধার হয়।

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জাল নোট পাচার চক্রের অন্যতম পাণ্ডা হিসাবেই সক্রিয় ভাবে কারবার চালাচ্ছিল মোশারফ শেখ। এর আগেও সে সীমান্তের ওপারে অবৈধ ভাবে পারাপার করেছে বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। এদিনের মোশারফ সেখকে গ্রেফতার করার পর পুলিশের একটা বড় সাফল্য এসেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

ধৃতের বাড়ি থেকেই ১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকার জালনোট গুলি উদ্ধার হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযুক্ত মোশারফ শেখ জালনোট পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার অল্প বয়সী যুবকদের মোটা টাকার প্রলোভন দেখিয়ে জালনোটের ক্যারিয়ার হিসাবে ব্যবহার করত সে।

মোশারফ শেখ অনেকদিন ধরে জালনোটের কারবারের সঙ্গে যুক্ত। কয়েকজন ক্যারিয়ারকে এর আগে জাল নোট পাচার অভিযোগে গ্রেফতার করে এসটিএফের কর্তারা । তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে গিয়ে বৈষ্ণবনগর থানার জনৈক ওই জালনোট পাচারকারীর নাম উঠে আসে।

পুলিশ জানিয়েছে,ধৃত জালনোট পাচারকারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।পাশাপাশি এই জাল নোটগুলি ধৃত ব্যক্তি কোথা থেকে সংগ্রহ করেছিল, এবং কোথায় পাচার করছিল তা নিয়েও তদন্ত শুরু করা হয়েছে। অন্যদিকে এই পাচার চক্রের পান্ডার সঙ্গে কে কে জড়িত রয়েছে সে বিষয়ে খোঁজ খবর শুরু করেছে পুলিশ।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও