নয়াদিল্লি : শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বরাবরই বিতর্কের শীর্ষে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। বিভিন্ন সময় নিজের বিভিন্ন শিক্ষাগত যোগ্যতা জাহির করে নিজেই ব্যঙ্গের শিকার হয়েছেন স্মৃতি। অবশেষে ছেলে জহর মুছিয়ে দিলেন মায়ের সেই বদনাম। বৃহস্পতিবার ঘোষণা হয়েছে সিবিএসই বোর্ডের দ্বাদশ শ্রেনীর ফলাফল। ৯১ শতাংশ নম্বর নিয়ে পাস করেছেন স্মৃতি ইরানীর পুত্র জহর ইরানি।

মন্ত্রী জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে জোহর সেরা চারটি বিষয়ে ৯১ শতাংশ নম্বর নিয়ে পাস করেছে। সেই খবর নিজেই টুইট করেন স্মৃতি। লিখেছেন, ‘‘চিৎকার করেই বলছি, ছেলে জোহরের জন্য গর্বিত। …ও দ্বাদশ শ্রেণিতে ৯১ শতাংশ পেয়েছে। ৯৪ শতাংশ পেয়েছে অর্থনীতিতে। ক্ষমা চাইছি, আজ আমি আহ্লাদে আটখানা।’’ ইনস্টাগ্রামে ছেলের সঙ্গে ছবিও শেয়ার করেছেন স্মৃতি।

বছর পাঁচেক আগে স্মৃতির শিক্ষাগত যোগ্যতা তুলে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। লোকসভা নির্বাচনের আবহে সেই বিতর্ক অন্য মাত্রা নেয়। বিজেপি নেত্রী তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি অবশেষে স্বীকার করেন, তিনি গ্র‌্যাজুয়েট নন। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ডার-গ্র্যাজুয়েট কোর্সে ভর্তি হয়েছিলেন, তা শেষ করেননি। প্রসঙ্গত, এই স্মৃতি ইরানি মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের দায়িত্ব পান। পরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্বও পান।

স্মৃতি ইরানির লেখাপড়ার দৌড় নিয়ে বারবারই আক্রমণ করেছেন বিরোধীরা। ২০০৪ সালে চাঁদনিচক থেকে যখন ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছিলেন, তিনি বিএ পাশ করেছেন। ১৯৯৬ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের করেসপন্ডেন্সে বিএ পাস করেছেন। ২০১৪ সালে কমিশনে দেওয়া এফিডেভিটে তিনি দাবি করেন, তিনি কমার্স গ্র্যাজুয়েট। ১৯৯৪ সালে তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমার্সে স্নাতক হন।