হলদিয়া: তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাল্টা এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে এসে স্কুটি চালিয়ে অভিনব প্রচার সারলেন স্মৃতি। কিছুদিন আগেই কলকাতায় পেট্রোল-ডিজেলের দাম-বৃদ্ধির প্রতিবাদে স্কুটি চালিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে বিরোধীরা কটাক্ষও করেন তৃণমূল সুপ্রিমোকে। রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে এসে স্কুটি চালিয়ে পরোক্ষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বার্তা দিতে চাইলেন স্মৃতি, এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

শিল্প শহর হলদিয়ায় স্কুটারে করে প্রচার করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি৷ নির্বাচনের দিনক্ষণ যতই এগিয়ে আসছে প্রচারের ঝড় ততই বাড়ছে সব রাজনৈতিক দলের। শিল্প শহর হলদিয়া। এবার শিল্প শহরে ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। প্রধানমন্ত্রী থেকে অন্যান্য মন্ত্রীরা প্রচারে ঝড় তুলছেন শিল্প শহর হলদিয়ায়।

অন্যদিকে, সিপিআইএম থেকে আসা স্থানীয় বিধায়ক তাপসী মন্ডলকেই আবার প্রার্থী করেছে বিজেপি। দ্বিতীয় দফার ভোটে নির্বাচন রয়েছে শিল্প শহর হলদিয়ায়। তাই নির্বাচনের আগে নিজেদের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা একের পর এক সভা রোড শো করে চলেছেন।

সোমবার হলদিয়া বিধানসভায কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী তাপসী মন্ডলের সমর্থনে প্রচারে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। এদিন হলদিয়ার হেলিপ্যাড ময়দানে তিনি হেলিকপ্টারে করে আসেন। সেখানে হলদিয়ার বিজেপি প্রার্থী তাপসী মন্ডল এবং নেতৃত্ববৃন্দদের নিয়ে স্কুটারে করে শিল্প শহর রোড শো করেন।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির নেতৃত্বে হলদিয়া টাউনশিপের বিভিন্ন এলাকা রোড শো হয়। হলদিয়া টাউনশিপের ক্ষুদিরাম নগর এলাকায় একটি জনসভা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। সেই সভায় তিনি রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়ে বলেন, ‘‘যিনি নিজেকে বাংলার মেয়ে বলে গর্ব করছেন সেই বাংলায় বয়স্কা মাকে আহত হতে হচ্ছে, মহিলাদের ধর্ষণের স্বীকার হতে হচ্ছে।বাংলা সুরক্ষিত নেই। তাই বাংলাকে সুরক্ষিত রাখতে বিজেপির প্রার্থীদের ভোট দিন’’।

এদিন হলদিয়ার আগে পশ্চিম মেদিনীপুর পিংলাতে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করেন স্মৃতি। সেখানেও শাসকদল তৃণমূলকে তুলোধনা করেন এই বিজেপিনত্রী। কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্প থেকে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিংলার সভায় এভাবেই তৃণমূলকে আক্রমণ করেন স্মৃতি ইরানি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.