কলকাতা: নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতে আর কিছুক্ষণ বাকি। এরই মধ্যে বাংলায় এসে চমক দিলেন বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি। দক্ষিণ ২৪ পরগণায় বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় যোগ দিয়ে স্কুটার চালালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

শুক্রবার স্মৃতি ইরানির উপস্থিতিতে গড়িয়া থেকে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার রথ যাত্রা শুরু করে। গড়িয়া স্টেশন থেকে খেয়াদা হয়ে ভাঙড় অবধি চলবে এই রথযাত্রা।

আরও পড়ুন – ৫৪ বছর বাদে রহস্যময় সাপের খোঁজ, যার ব্যাপারে বিজ্ঞানীদের অনেক কিছুই অজানা

পরিবর্তন যাত্রা গঙ্গাজোয়ার এলাকার সভায় কিছুক্ষণ বক্তৃতা দেন স্মৃতি ইরানি। এরপর সেখান থেকে স্কুটি করে যান প্রতাপগঞ্জের দিকে। তিনি যখন স্কুটি চালাচ্ছিলেন তখন স্কুটার নিয়ে ছিলেন নিরাপত্তারক্ষীরাও। এছাড়া ঠিক পিছনেই ছিলেন সমর্থকেরা। দেখা গেল স্কুটি চালাতে বেশ ভালোই পারদর্শী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে স্কুটি চালাতে দেখে অনেকেই রাস্তায় ফটো তোলেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারই নবান্ন থেকে নিজেই স্কুটি চালিয়ে বাড়ি ফিরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ নিঃসন্দেহে এ ছিল এক রাজনৈতিক প্রতিবাদ। এদিন নবান্ন থেকে বেরিয়ে দ্বিতীয় হুগলি সেতুর মাঝামাঝি পর্যন্ত মমতা ওই ই-স্কুটার চালান। এর পর তা চালান ফিরহাদ হাকিম। পরে হরিশ মুখার্জি রোডে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ফের নিজের হাতে নেন স্কুটারের ‘হ্যান্ডল’। প্রতীকী প্রতিবাদে তো বটেই, এই বয়সে অনভ্যস্ত হাতে মমতা যে ভাবে স্কুটার চালালেন, তা চমকে দিয়েছে।

আরও পড়ুন – অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা

পেট্রোল-ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের লাগাম ছাড়া মূল্যবৃদ্ধিতে অভিনব কায়দায় মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রতিবাদে বেশ সাড়া পড়ে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে শুধু ফেরা না। নবান্নে যাওয়ার পথেও স্কুটিতে চেপেই নবান্নে গেছেন তিনি। চালকের আসনে ছিলেন খোদ পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কালীঘাট থেকে নবান্নে পৌঁছতে আধঘন্টার বেশি সময় লেগে যায়। পিছনে বসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলা ঝুলছিল পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাখা ফেস্টুন।

সব মিলিয়ে মমতার এই অভিনব প্রতিবাদ যে বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছে তা বলাই যায়। কারণ তার পরের দিনই স্কুটি নিয়ে রাস্তায় নামলেন খোদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।