স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: অনেক বছর পর বেশ জাঁকিয়ে ঠাণ্ডা পড়েছে। শীতের দাপটে জবুথবু অবস্থা গোটা উত্তর ভারত। তাপমাত্রার পারদ হ্রাসের সঙ্গে সঙ্গে দাপট বজিয়ে রেখেছে ঘন কুয়াশা। জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়েছে দিল্লি এবং সংলগ্ন এলাকায়। কুয়াশায় দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনাও।

শুধু দিল্লি নয়, ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে জাঁকিয়ে ঠাণ্ডা পড়েছে কলকাতাতেও। গত কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের না হলেও দাপট বজিয়ে রেখেছে কুয়াশা। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘন কুয়াশায় ঢাকছে রাস্তাঘাট। ফলে রাতের শহরে দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে। বাদ নেই জেলাগুলিও। চলতি বছরে বাঁকুড়ায় সেই ভাবে শীতের দাপট না থাকলেও ঘন কুয়াশায় নাজেহাল জেলাবাসী।

তীব্র কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ঘটছে ছোটো বড় পথ দুর্ঘটনার। সোমবার রাতে সিমলাপালের নিমাইপুরে একটি লরি দুর্ঘটনায় ঐ লরির খালাসির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

এদিকে, মঙ্গলবার ভোর থেকেই তীব্র কুয়াশার কারণে একদিকে যেমন যানচলাচলে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে চালকদের। তেমনই আবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশার মাত্রাও তীব্র হচ্ছে।গত দুদিনে রোদের দেখা মেলেনি সেভাবে। যার ফলে সড়ক পরিবহনের ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করছে কুয়াশা।

এই বিষয়ে জেলার বাসচালক সঞ্জয় দাস, তারক পালরা বলেন, সকাল থেকে কুয়াশার তীব্রতা এতটাই বেশি যে কয়েক হাত দূরের জিনিসও চোখে পড়ছে না। লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। এই মুহূর্তে সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানয় তাঁদের কাছে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.