কলকাতা: সবে বিয়ে হয়েছে আপনার? এতদিন আপনার রুমের আপনিই মালিক ছিলেন। কিন্তু এবার স্বেচ্ছাচারিতা থেকে বেরিয়ে এসে গিন্নীকেও দিতে হবে স্থান। কিন্তু অভ্যেস বশতঃ কোনো ভুল করলে ব্যাস, একটাও রাগ বৃথা যাবে না। তাই দাম্পত্য জীবনকে সুখের করতে শোওয়ার সময় সঠিক পোজিশন ট্রাই করা খুবই দরকারি। তবে শোওয়ার পরে পরেই একবারে ঘুমিয়ে যাবেন না বা মিলনের দিকে এগোবেন না। আপনার সঙ্গীর আপনাকে কিছু বলার থাকতে পারে। তাই আগে তার সঙ্গে কাছে এসে কথা বলুন। আপনার সারাদিন কেমন কাটলো তাকে ছাড়া, সেটাও শেয়ার করুন। সঙ্গীর হাত ধরেও ভালোবাসা যায়। তার শরীরের সঙ্গে নিজের শরীর স্পর্শ করান। এতে যে অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসরণ হবে তা সঙ্গীকে বাধ্য করবে আপনার স্পর্শ পেতে এগিয়ে যেতে।

১. সঙ্গীকে আলতো করে জড়িয়ে ধরুন। তার নিতম্ব যাতে আপনার হাঁটু স্পর্শ করে সেটা দেখবেন। সঙ্গীর খুব কাছে আসার এটি সহজ একটি পোজিশন। বিয়ের কিছু বছর পেরিয়ে গেলে দম্পতির মধ্যে দূরত্ব একটা আসে কিন্তু সেটাকে কমাতে আপনি সঙ্গীর হাত ধরে থাকতে পারেন।

২. সঙ্গীর মুখোমুখি শোবেন। আপনার পা ও তার পা একে অপরকে জড়িয়ে থাকবে। মিলনের পর বেশিরভাগ দম্পতি এই পোজিশন পছন্দ করেন।

আরো পড়ুন-  আপনার এই ৪টি অভ্যেসই আপনার পরিচয়

৩. আপনার মুখটি উপরের দিকে থাকবে অর্থাৎ আপনি সোজা শোবেন কিন্তু সঙ্গী বা স্ত্রী তার মাথা রাখবে আপনার বুকে আপনাকে জড়িয়ে। এতে আপনার হৃদস্পন্দন সে অনুভব করতে পারে। আপনার সেই মুহূর্তের চাহিদাটাও সে বুঝতে পারে।

৪. অনেক সময়ে শারীরিক মিলন করতে গিয়ে অনেক সঙ্গী অসন্তুষ্ট হয়ে পড়েন। সেই সময়ে আপনারা একে অপরের পিঠ সংস্পর্শ করে পা দুটি কাছে এনে শুতে পারেন। স্নেহের স্পর্শ থাকে সেখানে।

৫. সময়ের স্রোতে দূরত্ব বাড়লেও ভালোবাসা কমে না। দুজনের মধ্যেকার দূরত্ব একটু হলেও থাকলে সেক্ষেত্রে আপনারা শুধু দুজনের নিতম্ব একে অপরের সঙ্গে ছুঁইয়ে রাখতে পারেন। শরীরের যোগাযোগ তো রইলো। এর দ্বারা বোঝায় যে আপনারা দূরে থাকলেও পরস্পরের সঙ্গে আছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।