শ্রীনগর: জম্মুতে হাই অ্যালার্টের মধ্যেই ঘটে গেল বিস্ফোরণের ঘটনা৷ এই ঘটনার জেরে প্রায় ২৬ জন আহত হয়েছে৷ ঘটনার তদন্তে নেমে তদন্তকারিদের অনুমান করছেন এই ঘটনার পিছনে স্লিপিং সেলের যোগ রয়েছে৷

জম্মুর আইজিপি এম কে সিন্হা জানিয়েছেন গ্রেনেড মেরে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে৷ একাধিক ব্যাক্তি আহত হয়েছে৷ আহতদের জম্মু মেডিক্যাল হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে বলে জানান৷ তিনি বলেন, পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে৷ ইতিমধ্যেই বেশ কিছু তথ্য তাদের হাতে এসেছে বলে জানান এই পুলিশ কর্তা৷ তিনি আরও বলেন জম্মু হাই আ্যালার্টে রয়েছে৷ বিভিন্ন জায়গায় ব্যারিকেড রয়েছে৷ গাড়িগুলির উপরেও কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে৷ এই ঘটনার পিছনে স্লিপিং সেল রয়েছে বলেও জানান তিনি৷

পুলওয়ামা হামলার ক্ষত এখনও মিলিয়ে যায়নি৷ তারই মাঝে গ্রেনেড হামলায় কেঁপে উঠল জম্মু৷ বৃহস্পতিবার সকালে একটি বাসে গ্রেনেড হামলার জেরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে৷ কমপক্ষে ২৬ জন আহত হয়েছে৷ এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷ আহতদের স্থানীয়দের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক৷

গ্রেনেড হামলাটি হয়েছে শহরের প্রাণকেন্দ্রের একটি বাসস্ট্যান্ডে৷ স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আহতরা অধিকাংশ বাস চালক ও খালাসি৷ বাসে কোনও লোক ছিল কিনা তা পরিস্কার নয়৷ ঘটনার কথা বলতে গিয়ে স্থানীয়রা জানান, সকাল এগারোটার পর বিকট শব্দে চমকে যান সকলে৷ তারা প্রথমে ভাবেন টায়ার ফেটেছে৷ কিন্তু ভুল ভাঙে কিছুক্ষণ পর৷ বাসস্ট্যান্ড থেকে আর্তনাদের শব্দ শুনে ছুটে যান সকলে৷ গোটা এলাকা ধোঁয়ায় ভরে যায়৷ সেখান থেকে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।