দিল্লি: ঘুম বলতেই সুখের নিদ্রার কথা আমরা ভাবি। কিন্তু এমন জায়গাও আছে যেখানে ঘুমই হলো সেই জায়গার বাসিন্দাদের মাথাব্যথার কারণ। শুধু তাদের নয়, তাদের এই ঘুমের ব্যামো বিজ্ঞনীদেরও মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতিরিক্ত ঘুম বা প্রয়োজনের চেয়ে কম ঘুম দুটোই আমাদের শরীরের জন্যে খারাপ। সব জানা সত্বেও এখানকার মানুষ ঘুমাতে বাধ্য কারণ এটাই তাদের রোগ। আজকের যুগে যেখানে কাজের চাপ ঘুম কেড়ে নিয়েছে আমাদের, সেখানে কাজের মাঝেই কেউ ঘুমিয়ে পড়ছেন, কেউ আবার বাড়ির কাজ করতে করতে ঘুমিয়ে যাচ্ছেন, আবার কেউ ঘুমাচ্ছেন টিভি দেখতে দেখতেই। তারা ব্যস্ত রাস্তার মধ্যেও ঘুমিয়ে পড়তে পারেন।

এমন এক অদ্ভুত জায়গা রয়েছে কাজাকাস্তানে। যে জায়গায় এই ঘটনা ঘটে সেই শহরের নাম কালাচেভ। সেখানকার মানুষ এই ঘুমঘোরে আচ্ছন্ন ৮ বছর আগে থেকে। ২০১৩ সালে যে সময় সেখানে বসন্ত ঋতুর আবির্ভাব হয় সেই সময় থেকেই হঠাৎ করে এই রোগ এসে দানা বাঁধে তাদের মধ্যে। যত ব্যস্ততাই থাকুক, তারা ঘুমিয়ে পড়েন যে কোনো সময়ে।

শুধু ঘুমিয়ে পড়া নয়, ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকেরই আরো একটা সমস্যা হচ্ছে। অনেকেই হারিয়ে ফেলছেন স্মৃতি। আবার চোখ খুলে এমন জিনিস তারা দেখেন যেগুলোর বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই। একটা গোটা শহরে কী করে এমন যোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে, তার সন্ধান পাননি বিজ্ঞানীরা। একটি কারণ খুঁজে বের করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। রাশিয়ার সীমান্তের কাছে রয়েছে একটি গুহা যেখান থেকে নির্গত হয় ইউরেনিয়াম। সেটা এখানকার বাতাসে মিশে যাওয়ায় এমনটা হতে পারে। ইউরেনিয়াম এমন এক ধাতু যা জল বা বায়ুতে মিশে আমাদের স্নায়ুতন্ত্রকে দুর্বল করে দেয়।

আরো পোস্ট- গুহার গায়ে অজানা মন্ত্র, পড়তে পারলে গুপ্তধন আপনার

তাদের শরীরে কী কী পরিবর্তন এসেছে তা নিয়ে গবেষণা চালিয়েছে বিজ্ঞানীরা। আবার সেখানকার জল, মাটি, বায়ু- সব নিয়েই চালানো হয়েছে পরীক্ষা। তবে কোনোকিছুতেই কোনো অস্বাভাবিকতা নজরে আসেনি বিজ্ঞানীদের। এই ঘুমের কারণে সেখানকার লোকেরা পিছিয়ে গেছেন উন্নয়নের দিক থেকে। কারণ কাজে এসেছে শ্লথ গতি।

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।