নয়া দিল্লি: হ্রদে সাধারণত জল ছাড়া আর কিছুই থাকার কথা নয়। কিন্তু সেই হ্রদেই মিলেছে হাজার কঙ্কাল। এই বিশেষ শব্দটি শুনেই গা ছমছম করে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সেই হ্রদ নিয়ে দিনের পর দিন গবেষণা ও পরীক্ষা চালিয়ে গেছেন। হ্রদটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬ হাজার ফুট উঁচুতে রয়েছে। সেখানেই একসঙ্গে পড়ে রয়েছে ২০০ টি কঙ্কাল। এই হ্রদটির নাম রূপকুণ্ড হ্রদ। ওই ২০০ টি কঙ্কাল আবিস্কার করা হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে। মাথার খুলি আর মানুষের দেহের হাড় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছিল হ্রদকে কেন্দ্র করে। প্রথম যখন সেগুলির খোঁজ পাওয়া গেলো তখন সেগুলি কাদের তা নিয়ে বেশ তোলপাড় জাগে। তখন বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন সেগুলি জাপানি সৈন্যদের কঙ্কাল।

তবে আধুনিক গবেষণা সেই ধারণাকে মানতে নারাজ। তবে ঠিক কাদের সেই কঙ্কালগুলি, সেই উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি। আদৌ যাদের কঙ্কাল তারা আত্মহত্যা করেছে নাকি মেরে দেওয়া হয়েছে তাদের তা নিয়েও রয়েছে সন্দেহ। খ্রিস্টপূর্ব ৮৫০-এর সেই কঙ্কালগুলি কীভাবে এলো তাহলে হিমালয়ের ওই হ্রদে? ১৯৪২ সালের দিকে নাকি আবার এক নতুন তথ্য মাথাচাড়া দিয়েছিলো। পাওয়া গিয়েছিলো গণকবর ও সেই সঙ্গে এই হ্রদ।

আবার পরে তথ্য পাওয়া যায় যে সেগুলি নাকি ১২ শতক থেকে ১৫ শতকের মাঝামাঝি সময়ের। তবে এতো উঁচুতে কেন এতগুলো কঙ্কাল রয়েছে সেটাই তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে গবেষকদের। সেইসময়ে বিজ্ঞানীরা দাবি করেন যে সেই কঙ্কালগুলি কোনো রাজকীয় বাহিনী বা তীর্থযাত্রীদের হতে পারে। হয়তো কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে তাদের প্রাণ গিয়েছিলো। আবার একদল নৃতত্ত্ববিদ বলেন যে কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর নাকি ওই কঙ্কালগুলি। তারা একসঙ্গে কোনো কারণে আত্মহত্যা করেছিল। আবার হ্রদটি নাকি সকলের চোখেও পড়ে না।

আরো পোস্ট- টয়লেটের পেছনে আস্ত একটা ফ্ল্যাট! কী মিললো সেখানে…

কঙ্কালগুলি পাওয়ার পর হ্রদের নাম রাখা হয় কঙ্কাল হ্রদ। আবার কেউ কেউ বলেন এরা ছিল মহম্মদ বিন তুঘলকের সৈন্য। তিব্বত দখল করতে গিয়ে নাকি প্রাণ হারিয়েছিল তারা। এরপর একটি মৃতদেহ পাওয়া গেলো। সেখানে দেখা গেলো যে তার মাথায় রয়েছে আঘাতের চিহ্ন। এর থেকে মনে করা হয় যে শিলাবৃষ্টিতে এতগুলি প্রাণ গিয়েছিলো।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।