আগরতলা: আগেই রাজ্য দফতর থেকে খুলে ফেলা হয়েছে দলীয় সাইনবোর্ড৷ এবার তৃণমূল কংগ্রেসের ৬ বিধায়কের বিজেপিতে যাওয়ার আনুষ্ঠানিকতা বাকি৷ সূত্রের খবর, ৭ অগস্ট তাঁরা সরাসরি পদ্ম শিবিরে চলে যাবেন৷ অবশ্যই নেতৃত্বে থাকছেন, তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ৷

শুক্রবার তাঁরা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের সঙ্গে দিল্লিতে দেখা করবেন৷ সেখানেই শিবির বদলানোর বিষয়টি চূড়ান্ত রূপ পাবে৷ জানিয়েছেন বিজেপি মুখপাত্র ভিক্টর সোম৷

এভাবেই পোস্টার হটিয়ে দেওয়া হয়েছে আগরতলায়

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএ মনোনীত প্রার্থী রামনাথ কোবিন্দকে সমর্থন করেছিলেন ত্রিপুরার ৬ তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক৷ তাঁদের যুক্তি ছিল, যে প্রার্থীকে সিপিএম সমর্থন করেছে তাঁকে কখনই ভোট দেওয়া হবে না৷ ফলে বিড়ম্বনায় পড়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বিরোধী প্রার্থী মীরা কুমারকে সমর্থন করেছিলেন তিনিও৷ দলীয় নেত্রীর নির্দেশ না মেনে ত্রিপুরা বিধানসভার বিরোধী নেতা সুদীপ রায় বর্মণ সহ ৫ বিধায়ক দেখা করেন এনডিএ উত্তরপূর্বাঞ্চল আহ্বায়ক হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে৷

পড়ুন: মুকুলের হাতেই ভাঙতে পারে তৃণমূলের যুবশক্তি ?

ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা ছিলেন সুদীপ রায় বর্মণ৷ কংগ্রেসের বিধায়ক হিসেবে ছিলেন রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী নেতা৷ রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সমীর রঞ্জন বর্মণ তাঁর পিতা৷ দাপুটে কংগ্রেস নেতা পশ্চিমবঙ্গের গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলত্যাগ করেন৷ অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে যোগদান করেন তৃণমূল কংগ্রেসে৷ মুহূর্তে পাল্টে গিয়েছিল ছবি৷ ত্রিপুরায় অন্যতম বিরোধী দল হয়ে ওঠে তৃণমূল কংগ্রেস৷ এদিকে বিধানসভা নির্বাচনে আগেই আবারও পটপরিবর্তন৷ সেই সুদীপ রায় বর্মণের নেতৃত্বে ত্রিপুরায় নতুন শক্তি হয়ে উঠতে চলেছে বিজেপি৷