কলকাতাঃ  ষষ্ঠ বেতন কমিশনের বেতন কমিশনের সুপারিশের সুবিধা পেতে পারেন এবার মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ডের কর্মীরাও। শুধু তাই নয়, মাদ্রাসা বোর্ডের কর্মীরাও এই সুবিধা পেতে পারেন। পাশাপাশি রাজ্যের সাহায্য প্রাপ্ত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নন টিচিং স্টাফ, কর্মীরাও যাতে নয়া বেতন কমিশনের সুপারিশ ভোগ করতে পারে তা বেতন কমিশনকে দেখতে বলল রাজ্য। ইতিমধ্যে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছে অর্থ দফতর।

যেখানে বেতন কমিশনকে তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে যে, আগামী তিনমাসের মধ্যে এই সমস্ত কর্মীদের বেতন কাঠামো খতিয়ে দেখতে হবে। কীভাবে এই সমস্ত কর্মীরাও ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ ভোগ করতে পারেন সেটাও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। আর তা খতিয়ে দেখার পরেই এই সংক্রান্ত রিপোর্ট ষষ্ঠ বেতন কমিশনকে জমা দিতে বলা হয়েছে। আর তা খতিয়ে দেখার পরেই এই সমস্ত কর্মীদের বেতন কতটা বাড়ানো সম্ভব তা অর্থ দফতর ঠিক করবে বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে পে-কমিশন নিয়ে প্রতীক্ষায় ছিলেন লক্ষাধিক রাজ্য সরকারি কর্মী। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর পুজোর আগেই ষষ্ঠ পে কমিশনে অনুমোদন দেয় রাজ্য মন্ত্রিসভা। ২০২০-র ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হচ্ছে নয়া বেতনক্রম৷ ১০০ টাকা বেসিক পে বেড়ে হচ্ছে ২৮০.৯০ টাকা ৷ ফলে এবার থেকে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ন্যূনতম বেতন ৭ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হল ১৭ হাজার ৯৯০ টাকা ৷

প্রসঙ্গত, গত ১৩ সেপ্টেম্বর নেতাজি ইন্ডোরে তৃণমূল প্রভাবিত সরকারি কর্মী সংগঠনের সভায় ষষ্ঠ বেতন কমিশন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ জানান, বেসিকে ২.৫৭ গুণ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে ৷ ন্যূনতম বেসিক হবে ১৭৯৯০ টাকা ৷ এর জন্য বাড়তি ১০ হাজার কোটি টাকা খরচ হতে চলেছে সরকারের ৷

অভিরূপ সরকারের নেতৃত্বাধীন পে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বেসিক বেতন ২.৫৭ গুণ বাড়ার কথা ছিল কিন্তু রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে তা একলাফে আরও ২.৮০৯ গুণ বাড়তে চলেছে ৷ অর্থাৎ ১০০ টাকা বেতন যার তিনি এবার থেকে পাবেন ২৮০ টাকা ৯ পয়সা ৷

নতুন বেতনক্রম অনুযায়ী এবার বাড়িভাড়া ভাতা বা HRA বেড়ে হল মূল বেতনের ১২ শতাংশ ৷ এর আগে ছিল সর্বোচ্চ সীমা ছিল ৬ হাজার টাকা ৷ যা বাড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার করল ১২ হাজার টাকা ৷ দৈনিক খাওয়ার খরচ বেড়ে ন্যূনতম ১০ টাকার বদলে হল ৩০ টাকা ৷ মেডিক্যাল ভাতা ন্যূনতম ৩০০ টাকা থেকে বেড়ে হল ৫০০ টাকা ৷ সর্বোচ্চ ২৫০০ টাকা থেকে বেড়ে হল ৩৫০০ টাকা৷ অভিরূপ সরকারের নেতৃত্বাধীন পে কমিশন মেডিক্যাল ভাতা ন্যূনতম বাড়িয়ে ৪০০ টাকা করার সুপারিশ করেছিল৷ গ্র্যাচুইটি সর্বোচ্চ সীমা ৬ লক্ষ থেকে বেড়ে হয় ১২ লক্ষ। সব মিলিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মীদের প্রাপ্যের থেকেও বেশি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য সরকারি কর্মীদের পাশাপাশি এবার বেতন কমিশনে সুফল ভোট করতে পারেন মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ডের কর্মী থেকে অন্যান্যরা। সৌজন্যে অবশ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।