Bjp is planing to move their rath through shirakole area
ফাইল ছবি।

পটাশপুর, (পূর্ব মেদিনীপুর): নির্বাচন ঘোষনার আগেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ঢুকে পড়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুরে বিভিন্ন এলাকায় চলছে রুটমার্চ।আর তারই মধ্যে বোমাবাজিতে ফের কেঁপে উঠল পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুরের বিভিন্ন এলাকা। বোমার আগুনে ঝলসে গুরুতর জখম হয়েছেন ৬ জন বিজেপি কর্মী।

ঘটনাটি ঘটছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ইচ্ছাবাড়ি ও শ্যানাহারী গ্রামে। ঘটনার পরই রীতিমত দফায় দফায় এলাকায় উওেজনা ছড়িয়ে পড়ে। যদিও এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়েছে তৃনমূল কংগ্রেসের তরফে। বোমাবাজির এই ঘটনায় আহত ৬ জন বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এদিকে বোমাবাজির ঘটনায় এলাকায় উওেজনা থাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ ও পটাশপুর থানার পুলিশের টহল চলছে।

এদিনের ঘটনায় বিজেপির অভিযোগ, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর ২ ব্লকের আড়গোয়াল গ্রাম পঞ্চায়েতের ইচ্ছাবাড়ি ও শ্যানাহারী গ্রামের বিজেপি নেতা কর্মীদের বাড়ি লক্ষ করে একাধিক বোমাবাজি করে ও বাড়ি ভাঙচুর করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বোমাবাজির ঘটনায় আহত হয়েছেন চন্দন দোলাই, প্রশান্ত দোলাই,পীযূষ জানা,স্বাধীন দোলাই এবং সৌমেন গায়েন সহ তাঁদের মোট ৬ জন বিজেপি কর্মী।

আহত কর্মীদের চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা বেরিয়ে আসলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। এরপর তাঁদের উদ্ধার করে এগরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরমধ্যে অবস্থার অবনতি হলে চন্দন দোলাই, প্রশান্ত দোলাই ও পীযূষ জানাকে এগরায় থেকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আহত বিজেপি কর্মীরা বোমা আগুনের ঝলসে গিয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার রাতেই খবর পেয়ে এগরা হাসপাতালে ছুটে আসেন বিজেপি নেত্বয়রা। বুধবার সকালে আহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে যান স্থানীয় বিজেপি নেতা তথা কাঁথি সংগঠনিক জেলার বিজেপি জেলা কমিটির সদস্য প্রশান্ত পণ্ডা সহ বিজেপি নেতৃত্বরা। শুধু তাই নয়, এদিন আহত বিজেপি কর্মীদের বাড়ি গিয়ে তাঁদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন বিজেপি নেতা প্রশান্ত পণ্ডা।

এই বিষয়ে কাঁথি সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি অনুপ চক্রবর্তী বলেন ” রাতেই তৃণমূলের হার্মাদরা বিজেপি কর্মীদের উপর বোমাবাজি করে। গুরুত্বর জখম হয়েছেন ৬ জন বিজেপি কর্মী। তাঁদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থায় অবনতি হওয়ায় তাঁদেরকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “তৃণমূলের অত্যাচারে সাধারণ মানুষ বিপর্যস্ত। পুলিশ প্রশাসন হুঁশিয়ারি দিচ্ছি, এইসব নোংরামি বন্ধ করুন।” যদিও এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তৃনমূল কংগ্রেস কো-অর্ডিনেটর মামুদ হোসেন বলেন ” এই ঘটনার সঙ্গে তাঁদের দলের কোনও কর্মী যুক্ত নয়। আদি বনাম নব্য বিজেপির লড়াই। নব্য বিজেপি কর্মীরা আদি বিজেপি কর্মীর উপর বোমাবাজি করেছে। পুলিশ তদন্ত করলেও প্রকৃত তথ্য প্রকাশ পাবে।”

এই বিষব পটাশপুর থানার ওসি দীপক চক্রবর্তী বলেন ” ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। উওেজনা থাকায় ওই এলাকায় পুলিশ টহল চলছে। অভিযোগ পেলে পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.