চুঁচড়া: ফের বাজিমাত করল তৃণমূল। চেতলায় বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতাকে দলে টানল ঘাসফুল শিবির। কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের উপস্থিতিতে বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগদান করলেন ৬ বিজেপি নেতা।

যে ৬ জন যোগ দিলেন, এদের মধ্যে দু’জন আগে তৃণমূলে ছিলেন। কিন্তু লোকসভা ভোটের ফলাফলের পর তাঁরা তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। এদের মধ্যে একজন হলেন, শেখ নইমুল হক খানাকুল ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সহকারি সভাপতি ও পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ। অন্যদিকে অন্যজন হলেন, শেখ বাদশা, খানাকুল ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য।

অন্য যে চারজন তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন, তাঁরা অবশ্য শুরু থেকেই বিজেপি করতেন। ওই চারজনের মধ্যে রামকৃষ্ণ মাইতি, বিজেপির মণ্ডল সভাপতি ও আরামবাগের জেলা কমিটির সদস্য ছিলেন। অন্য তিন জনের মধ্যে অখিল জানা এবং অর্ণব সরকার বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।পিন্টু চোংদার ছিলেন বিজেপির শক্তিকেন্দ্রের দায়িত্বে।

মেয়র ফিরহাদ হাকিমের উপস্থিতিতে বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগদান করেন তাঁরা। ফিরহাদ বলেন, এনআরসি বিরোধিতা করেই দলবদল করেছেন ওই নেতারা। উল্লেখ্য, এই ছয়জনের সঙ্গে দলবদল করেছেন আসাউদ্দীন ওয়েইসীর এক নেতা। তিনিও ঘাসফুল শিবিরের হাত ধরেছেন।

হুগলি তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি প্রবীর ঘোষাল বলেন, যাঁরা বিজেপিতে গিয়েছিলেন তাঁরা ভাঁওতাবাজি বুঝতে পেরে ফিরে আসছেন। অন্যদিকে বিজেপি নেতা বিমান ঘোষ দাবি করেন, তৃণমূল থেকে ওরা এসেছিলেন, কিন্তু বিজেপিতে কোনওদিনই কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। আর বিজেপির পরিবেশেও ওরা মানিয়ে নিতে পারছিল না, ওঁরা এলেন কি গেলেন, কোনও যায় আসে না। গেলেও কোনও অসুবিধা হবে না।

উল্লেখ্য, চলতি বছরেই ভোট হবে হুগলির আরামবাগ ও তারকেশ্বর পুরসভায়। এই দলবদলের কতটা প্রভাব সেই ভোটে পড়বে, বা আদৌ প্রভাব পড়বে কিনা সেটাই এখন লক্ষণীয় বিষয়।

দেশে এবং বিদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে টানা দু'দশক ধরে কাজ করেছেন । বাংলাদেশ থেকে মুখোমুখি নবনীতা চৌধুরী I