স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: বারাকপুর সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ওপর হামলার প্রতিবাদে সোমবার বিজেপির ডাকা বনধে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ালো উত্তর ২৪ পরগনার বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে। এই বনধকে ঘিরে বারাকপুর, শ্যামনগরে জায়গায় জায়গায় বনধ সমর্থকদের সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের মধ্যে দিনভর চলল সংঘর্ষ।।

বিজেপির অভিযোগ বনধ সমর্থকদের লাঠিপেটা করে তৃণমূল কর্মীরা। টিটাগড় থানার পুলিশের সামনেই বনধ সমর্থক বিজেপি কর্মীদের লাঠিপেটা করে তৃণমূল৷ বারাকপুরের নোনাচন্দন পুকুর বাজারের কাছে এই ঘটনা ঘটে৷ বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় বিজেপি সোমবার ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক দেয়।

আরও পড়ুন : বাড়তে চলেছে চিন্তা, দেশজুড়ে ফের বাড়ছে রান্নার গ্যাসের দাম

বনধ সফল করতে এদিন সকাল থেকেই রাস্তায় নামে বিজেপি কর্মীরা। অন্যদিকে বনধের বিরোধিতায় বারাকপুরে সোমবার লাঠি হাতে রাস্তায় নেমেছিল তৃণমূল কর্মীরা। বারাকপুর নোনাচন্দন পুকুর এলাকায় বিজেপি কর্মীরা বনধ সফল করতে জমায়েত করলে পুলিশের সামনেই তাদের লাঠি পেটা করে ঘটনাস্থল থেকে ভাগিয়ে দেয় তৃণমূল কর্মীরা বলে অভিযোগ৷

এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের লাঠির ঘায়ে গুরুতর জখম হয়েছেন বিজেপির বারাকপুর মন্ডলের সভাপতি অমল পোদ্দার। তাঁকে গুরুতর জখম অবস্থায় বারাকপুর বি এন বসু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়।

আরও পড়ুন : সব্যসাচীর গণেশ পুজো উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন মুকুল

বারাকপুরে বনধ ব্য়র্থ করতে এদিন অতি সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা যায় পুলিশকে। পুলিশও এদিন বেশ কিছু জায়গায় বনধ সমর্থকদের উপর লাঠিচার্জ করে। তবে এদিন বারাকপুরে অন্যান্য দিনের মতো দোকানপাট খোলেনি।

অন্যদিকে শ্যামনগর চব্বিশ নম্বর রেলগেটের সামনে ঘোষপাড়া রোডে টায়ার পুড়িয়ে অবরোধের ঘটনায় বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে আটক করে জগদ্দল থানার পুলিশ। তৃণমূল নেতা সোমনাথ শ্যাম জানান বনধ সফল করতে বিজেপি সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে। ভয়ে ভাটপাড়া এলাকায় মানুষ বাইরে বেরোননি৷ তবে ভাটপাড়ার বাইরে বনধের প্রভাব নেই, জানিয়েছেন সোমনাথ শ্যাম।