নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারিতেও দমেননি আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকরা৷ বিভিন্ন সরাকরি হালপাতালে চিকিৎসকদের গণ ইস্তফার হিড়িক৷ আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন শাসক দলের সাংসদ, মন্ত্রীদের চিকিৎসক পুত্র, কন্যারা৷ ক্রমশ জটিল হচ্ছে অবস্থা৷ তাই আর কড়া কথা নয়৷ রোগীদের কথা বিবেচনা করে কর্মবিরতি প্রত্যাহারের জন্য জুনিয়র চিকিৎসকদের ফেসবুকে আবেদন জানাচ্ছেন রাজ্যের মন্ত্রীরা৷

আরও পড়ুন: শিকেয় স্বাস্থ্য পরিষেবা, এনআরএসে গণইস্তফা ১০০ ডাক্তারের

শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবার ফেসবুকে আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছেন মন্ত্রী ও কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম৷ তাঁর আর্জি, পরিষেবা চালু করে সমস্যা সমাধানে সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসুক আন্দোলনকারীরা৷

অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে পরিকাঠামো অপ্রতুল৷ জরুরি বিভাগ ও আউটডোরে পরিকাঠামোর অভাবে সুচিকিৎসা সবসময় সম্ভব হয় না৷ যার জেরে রোগীর পরিবারের লোকেদের হেনস্থার সম্মুখীন হতে হয় জুনিয়র চিকিৎসকদের৷ মাঝে মধ্যেই তা চরমে পৌঁছায়৷ যার সর্বশেষ উদাহরণ সোমবার রাতে রোগী মৃত্যুর জেরে এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তার পরিবহ মুখোপাধ্যায়ের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা৷

আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী চিকিৎসকদের সঙ্গে গুণ্ডার মতো ব্যবহার করছেন: দিলীপ ঘোষ

প্রশাসন বার বার হাসপাতালে কর্ত্যরত চিকিৎসকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিৎ করা আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তা হয়নি৷ কর্মস্থলে নিরাপত্তার দাবিতে কর্মবিরতিতে জুনিয়র চিকিৎসকরা৷ মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারিতে কাজ হয়নি৷ নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় তারা৷

আরও পড়ুন: ‘হাতজোড় করে অনুরোধ করছি, আপনি আসুন’, NRS থেকে মমতাকে অনুরোধ অপর্নার

রাজ্যের সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা এনআরএসের জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে৷ চিকিৎসা পরিষবা বন্ধ সব হাসপাতালের আউটডোরে৷ এমার্জেন্সী বাদেএমনকি দিল্লির এইমস হাসপাতালের চিকিৎসাকরাও আজ কর্মবিরতিতে৷

আরও পড়ুন: ক্লাবে চাঁদা না দিয়ে সেই অর্থ হাসপাতালে দিন: কৌশিক সেন

অবস্থা ভয়াবহ৷ মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি ক্রমশ হাতের বাইরে৷ কলকাতার মহানাগরির ফেসবুকে এদিন লেখেন, আপনাদের সুরক্ষার জন্য পুলিশি ব্যবস্থা এখনই চোখে পড়ার মতো এবং আপনাদের কর্মস্থলে আপনাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা মুখ্যমন্ত্রী নিজে করেছেন৷ সাধারণ মানুষের কাছে আপনারা ভগবান আর সেই দায়িত্ব পালন করুন৷