নয়াদিল্লি: দিল্লির জওহরলাল বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার ঘটনা নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে কোনও বিবৃতি দেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ আর এবার মোদীর নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি৷ সিপিএম নেতা বলেন, ‘মোদী হয়তো অসৎ, তা না হলে জেএনইউ নিয়ে চুপ করে আছেন কেন?‌’৷

রবিবার সন্ধেয় আচমকা মুখে কাপড় বেঁধে ক্যাম্পাসে ঢোকে ৪০-৫০ দুষ্কৃতী৷ হাতে লাঠি, রড, বাঁশ, কাঠ নিয়ে ক্যাম্পাস জুড়ে তাণ্ডব চালাতে থাকে দুষ্কৃতীরা৷ ক্যাম্পাসে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুরও চালায় দুষ্কৃতীরা৷ এরপর বেছে বেছে বাম সমর্থক ছাত্র ছাত্রীদের বেধড়ক মারধর করা হয়৷ রডের ঘায়ে মাথা ফাটে জেএনইউ বাম ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঐশী ঘোষের৷ আক্রান্ত হন আরও বেশ কয়েকজন বাম সমর্থক ছাত্রছাত্রী৷ মারধরের হাত রেহাই মেলেনি অধ্যাপকদের৷ জেএনইউয়ের গার্লস হস্টেলে ঢুকে রীতিমতো তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীরা৷

এরই মধ্যে জেএনইউয়ে হামলার দায় স্বীকার করে নিয়েছে ‘হিন্দু রক্ষা দল’৷ সংগঠনের তরফে দলের নেতা সোশাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন৷ সেই ভিডিওতেই জেএনইউয়ে হামলার দায় স্বীকার করেছেন দলের নেতা পিংকি চৌধুরি৷ জেএনইউ কমিউনিস্টদের আড্ডা বলে দাবি পিংকি চৌধুরির৷ জেএনইউয়ে দেশবিরোধী কাজ চলে বলেও অভিযোগ পিংকি চৌধুরির৷ তিনি বলেন, ‘কমিউনিস্টদের আড্ডা হয়েছে জেএনইউ৷ জেএনইউয়ে দেশবিরোধী কার্যকলাপ চলে৷ পাকিস্তানের পক্ষে স্লোগান দেওয়া হয় জেএনইউয়ে৷’

এত সবের পরেও এখনও জেএনইউ নিয়ে বিবৃতি দেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ এর মোদীর এই মৌনতাকেই নিশানা করেছেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক৷ এ প্রসঙ্গে ইয়েচুরির তোপ, ‘‌মোদী হয় অসৎ। নয়ত অযোগ্য।’‌

রবিবার জেএইউয়ে হামলার পরই ইয়েচুরি বলেছিলেন, এই হামলা পরিকল্পিত। জেএনইউয়ে হামলার পর ইয়েচুরি টুইটে বলেন, ‘‌জেএনইউ, জামিয়া, এএমইউ, বিএইচইউ, এইচসিইউ, যাদবপুর, আইআইটি ও আইআইএমের পড়ুয়ারাই শুধু একা নন। এই দেশের শিক্ষার্থীরা ও যুবকরা জানে কেন্দ্রীয় সরকার তাঁদের দমন করতে চায়। কেন্দ্র পড়ুয়াদের উপর অর্থনৈতিক দুর্দশা ও সামাজিক বৈষম্যকে জোর করে চাপিয়ে দিতে চায়।’‌

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.