গুয়াহাটি: নাগরিকত্ব আইন, এনআরসি ও এনপিআর নিয়ে ফের কেন্দ্রের সমালোচনায় মুখর হলেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। হিন্দু ও মুসলমান সমাজের মধ্যে ভাগাভাগি করতেই কেন্দ্রীয় সরকার তৎপর হয়েছে বলে অভিযোগ সিপিএমের এই সর্বভারতীয় নেতার। ইয়েচুরির আরও অভিযোগ, দেশজুড়ে হিন্দু ভোট এক ছাতার তলায় আনতেই নোংরা রাজনীতি করছে বিজেপি।

নাগরকিত্ব আইন, এনআরসি ও এনপিআর নিয়ে প্রথম থেকেই কেন্দ্র বিরোধিতায় সরব বামেরা। সংসদ ও সংসদের বাইরেও কেন্দ্রীয় পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন বাম সাংসদরা। একাধিক রাজ্যে পথে নেমেও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সামিল থাকছেন বাম নেতা-কর্মীরা। ইতিমধ্যেই বাম শাসিত কেরলে নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে বিধানসভায় প্রস্তাব পাশ করা হয়েছে। একইসঙ্গে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন জানিয়েছেন, কেরলে নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি কার্যকর করা হবে না। এরই পাশাপাশি এনপিআর নিয়েও কেন্দ্র বিরোধিতা জারি রেখেছেন বিজয়ন।

নয়া আইন নিয়ে এবার কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনলেন সীতারাম ইয়েচুরি। সিপিএম সাধারণ সম্পাদকের অভিযোগ, ‘নাগরিকত্ব আইন, এনআরসি ও এনপিআর আসলে একটা প্যাকেজ। দেশজুড়ে হিন্দু ভোট ব্যাংক একত্রিত করতে চায় বিজেপি। তাই নোংরা রাজনীতি শুরু করেছে গেরুয়া শিবির।’

আরও পড়ুন- ইরান-আমেরিকা সংঘর্ষের আবহে পরিস্থিতি অত্যন্ত ‘গুরুতর’, মানল ভারত

সীতারাম ইয়েচুরির আরও অভিযোগ, ‘হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে চায় কেন্দ্রের শাসক দল। আর তাই দাঙ্গা বাঁধিয়ে মেরুকরণের রাজনীতির চেষ্টা করছে বিজেপি। দেশজুড়ে উত্তেজনা, ভয় ও হিংসার পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে কেন্দ্রের শাসকদল।’ নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসির প্রতিবাদে কংগ্রেস, তৃণমূল ও কেন্দ্র-বিরোধী একাধিক দলের পাশাপাশি পথে নেমে আন্দোলনে সোচ্চার বামেরাও। শনিবারই বামশাসিত কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন দেশের ১১ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসির বিরুদ্ধে কেন্দ্র বিরোধী আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আবেদন জানিয়েছেন বিজয়ন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.