ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কাঁথি: এখন আর পদ্মের ঝড় নেই। চীৎকার-চেঁচামেচি করে মোদী, অমিত শাহ মিডিয়াকে নিয়ে ঝড় তোলার চেষ্টা করছে। এই ঝড় লোকে ‘চালাকি’ বলে মনে করছে। এই ভাষাতেই বিরোধী বিজেপিকে কটাক্ষ করলেন শিশির অধিকারী৷

নির্বাচন কমিশন লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকে রাজ্যে শাসকদল তৃণমূল সবার আগে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে৷ তারপর থেকে জোরকদমে ভোট প্রচার শুরু করেন প্রার্থীরা৷ কাঁথি লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল থেকে টিকিট পেয়েছেন শিশির অধিকারী৷

ফাইল ছবি

তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘‘জেলায় খুব ভালো প্রচার হচ্ছে৷ কোনও বিরোধিতার প্রশ্ন নেই৷ তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিরোধীদের কোথাও তেমন ভোট প্রচারও দেখা যাচ্ছে না৷ আমরা পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ২৫ টি ব্লক ও পাঁচটি পুরসভা একাই দাপিয়ে বেড়াচ্ছি৷ আমাদের দলের কর্মী সর্মথকরা মিটিং, মিছিল, পথসভা সবই করছে৷ বুথ মিটিং-ও হচ্ছে৷ চলছে দেওয়াল লিখনও৷’’

তিনি বিরোধী দল বিজেপির প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘কেন্দ্রে মোদী সরকারের পাঁচ বছরের পারফরমেন্স, ধাপ্পা, মিথ্যে প্রতিশ্রুতি, নাটক ও ঝড় ক্রমে স্তিমিত হয়ে যাচ্ছে। প্রকৃত ঝড় তুফানে পরিণত হচ্ছে মোদীর বিরুদ্ধে। পাঁচ বছরে বাংলার প্রতি বঞ্চনা, প্রতারণা বিশেষ করে নওজয়ান, যুবকদের চাকরি না দেওয়া এবং কোনপ্রকার জনমুখী কর্মসূচি গ্রহণ না করা। শুধু ধাপ্পা, শুধু ধাপ্পা… এতে হয় না৷ এরকম করে বেশি দিন আর চলতে পারবেন না মোদীজি৷’’

শিশির বাবু বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘গোরুর গাড়ির হেডলাইট মাঝে মাঝে খারাপ হয়ে যায়৷ তখন খুলে ফেলে দিতে হয়। অতএব কে গেল কে এল তার জন্য তৃণমূল পার্টির কিছু যায় আসবে না৷ আমরা এখন অত্যন্ত শক্তিশালী পার্টি। ২০১৪ সাল আর নেই৷ একেবারে সরাসরি ২০১৯৷ ’’

তাঁর বক্তব্য, গত পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং তার আগে পর্যন্ত পুরসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে সারদা, নারদা নিয়ে তামাশা করেছে৷ শুধু এখানেই থেমে থাকেনি পরে নির্বাচন কমিশনের কাছেও রঙ্গতামাশা তৈরি করা করেছে৷ এখানেই রেহাই দেয়নি তারা একেবারে বুথ থেকে জেলা এবং জেলা থেকে রাজ্য পর্যন্তও বিষয়টিকে নিয়ে গিয়েছিল।

কোর্টে নিয়ে যাওয়া এবং সুপ্রিম কোর্ট যেভাবে তাদের মামলা প্রত্যাহার করেছে। এরপর বিরোধীদের নাকে ক্ষত দিয়ে তৃণমূলকে স্যালুট জানাতে হবে বলে মনে করেন তিনি। কোর্ট আছে। আমরা কোর্টকে সম্মান জানাই। কোর্ট পরিষ্কার বলে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী বলে কোনও পদার্থ নেই৷

তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে ৪২-এ ৪২ টি আসন পাবে তৃণমূল। শুধু তাই নয় অন্যান্য রাজ্যেও আমরা পাঁচ-সাতটা-দশটা আসন পেতে পারি, বলেও উল্লেখ করেছেন শিশির অধিকারী। সেরকম একটা সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি মনে করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ভারতবর্ষে আগামিদিনে সমস্ত আঞ্চলিক দলকে নিয়ে ‘গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট’ তৈরি হবে। বলেন, ‘এই ফ্রন্ট ভারতবর্ষের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আমি মনে করি।’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ