ফাইল ছবি

কলকাতাঃ  ছেলের পথেই কি বাবা! বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন শিশির অধিকারী। একের পর এক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর থেকে শিশির অধিকারীর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঘিরে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। অনেকেই বলছেন ছেলে শুভেন্দুর হাত ধরে সম্ভবত বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন শিশির অধিকারী। এই পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার মুখ খুলেছেন শিশিরবাবু।

স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, সব রাস্তাই খোলা রয়েছে। তবে যে সিদ্ধান্তই নিন না কেন তা দলনেত্রীকে জানিয়েই নেবেন বলে দাবি করেছেন কাঁথির সাংসদ৷ আর তা এহেন মন্তব্যের পরেই শিশির বিজেপি যোগ নিয়ে আরও জল্পনা তীব্র হয়েছ।

যদিও বিজেপি-তে যোগদানের বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু না বললেও শিশির বলেন, ‘আমি তো চিৎপুরের যাত্রাপার্টি নই যে বায়না করলেই সেখানে চলে যাব৷ আমার চিন্তাধারার সঙ্গে মিলতে হবে৷ তবে নিজের লোকেদের সঙ্গে কথা বলেই যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেব৷’

এদিন সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শিশির অধিকারী বলেন, তাঁর সামনে সব দরজাই খোলা রয়েছে, সব অপশন খোলা রয়েছে। তিনি ৬৩ সাল থেকে রাজনীতি করছেন। ফলে তিনি রাজনীতিতেই থাকবেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত রাজনীতি করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। ইট, কাঠ, পাথর হয়ে তিনি থাকতে পারবেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শুধু তাই নয়, তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার কারন হিসাবে তাঁর অসুস্থতাকেই দায়ী করেছেন তৃণমূলের একাধিক নেতৃত্ব। কুণাল ঘোষ জানিয়েছিলেন, শিশিরবাবু অসুস্থ। সেই কারনে কাজ করত্যে পারছিলেন না। আর এই প্রসঙ্গে শিশিরবাবু জানিয়েছেন, ১৩০ বছর বাঁচব! তবে কোনও সিদ্ধান্ত নিলে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানাবেন বলেও জানিয়েছেন কাঁথির তৃণমূল সাংসদ। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এ দিন বলেন, ‘বিজেপি-তে গিয়ে শিশিরবাবুর দুই ছেলে নিয়মিত তৃণমূলকে আক্রমণ করছেন৷ অথচ উনি চুপ করে আছেন৷ কিছু বলছেন না৷ এটা দেখে দুঃখ লাগে৷’

কুণালকে অবশ্য পাল্টা আক্রমণ করেছেন শিশির অধিকারী৷ তিনি বলেন, ‘কুণাল ঘোষ দলের ক্ষতি করছেন৷’ এই প্রসঙ্গে পালটা দাবি করেছেন কুণাল ঘোষ। এক সংবাদমাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, এই বিষয়গুলি আমাকে না বলে যদিও ছেলেদের উদ্দেশ্যে বলতেন তাহলে অনেক কাজ হতো বলে মন্তব্য তৃণমূল মুখপাত্রের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।