কলকাতা: দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারিত পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারী। কাঁথির তৃণমূল সাংসদ শিশির অধিকারীর জায়গায় দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের নতুন চেয়ারম্যান করা হয়েছে রামনগরের তৃণমূল বিধায়ক অখিল গিরিকে।

পূর্ব মেদিনীপুরের অধিকারী সাম্রাজ্যে গেরুয়া থাবার জের, এবার দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ থেকে অপসারিত কাঁথির তৃণমূল সাংসদ তথা বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ শিশির অধিকারী। শিশিরবাবুর জায়গায় ওই পদে আনা হয়েছে জেলার রামনগরের তৃণমূল বিধায়ক অখিল গিরিকে।

তালটা কাটতে শুরু করে লকডাউন পর্ব থেকে। ধীরে-ধীরে শাসক তৃণমূল থেকে দূরত্ব বাড়াতে শুরু করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শেষমেশ রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন শুভেন্দু। একইসঙ্গে সরে দাঁড়ান সরকারের একাধিক কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে। পরে অমিত শাহের উপস্থিতিতে তৃণূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী।

তৃণমূলেরই হাফ-ডজন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে গেরুয়া দলে যোগ দিয়ে শাসকের ‘ঘুম’ কেড়েছেন শুভেন্দু। একের পর এক সভা -মিছিলে তুলোধনা করছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

নিয়ম করে আক্রমণ শানাচ্ছেন শাসকদলের অন্য নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধেও। শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই কাঁথির পুর প্রশাসক পদ থেকে অপসারিত হন শুভেন্দুর ভাই সৌমেন্দু অধিকারী। পরে সৌমেন্দুও দাদা শুভেন্দুর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন।

ইতিমধ্যেই দলে ‘বেসুরো’ গাইছেন শুভেন্দু অধিকারীর আর এক ভাই তথা তমলুকের তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। ছোট ভাই সৌমেন্দুর অপসারণ অগণতান্ত্রিক বলে দাবি করেছেন দিব্যেন্দু।

দিব্যেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে যোগ দেওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এরই মধ্যে এবার শুভেন্দু-দিব্যেন্দুদের বাবা শিশির অধিকারীকেও দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ থেকে সরানো হল। কাঁথির বর্ষীয়ান সাংসদ শিশির অধিকারীর জায়গায় দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের নতুন চেয়রাম্যন করা হল রামনগরের তৃণমূল বিধায়ক অখিল গিরিকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।