লখনউ: সাফল্য যেন এক লহমায় বদলে দেয় সবকিছু। পেশায় অটোচালক ছিলেন বাবা। ছেলেকে জাতীয় দলের জার্সিতে দেখতে চেষ্টার কসুর করেননি। অথচ ছেলে যখন ক্যাঙ্গারুর দেশে গিয়ে বাঘা-বাঘা অজি ব্যাটসম্যানদের চোখে সর্ষের ফুল দেখাচ্ছেন, বাবা তখন পাড়ি দিয়েছেন না ফেরার দেশে। বাবার মৃত্যুসংবাদ পেয়েও বায়ো-বাবল ছেড়ে দেশে ফেরেননি সিরাজ। বরং বাবার ইচ্ছেপূরণ করতে শেষকৃত্যে যোগ না দিয়ে থেকে গিয়েছিলেন অজিভূমে। প্রথম দলের বোলাররা একে একে চোট পেয়ে ছিটকে যেতেই প্রথম একাদশে ঢুকে পড়ার সুযোগটাও চলে এসেছিল দ্বিতীয় টেস্টে।

মেলবোর্নে বক্সিং-ডে টেস্টে সুযোগ পেয়েই জাত চিনিয়েছিলেন। দু’ইনিংস মিলিয়ে হায়দরাবাদ পেসার ঝুলিতে ভরেছিলেন ৫ ইনিংস। আর ৩২ বছর পর প্রথম সফরকারী দল হিসেবে গাব্বায় ব্যাগি গ্রিনদের হারিয়ে ইতিহাস লিখতে আরসিবি পেসারের আগুনে স্পেলেই অক্সিজেন পেয়েছিল ভারত। ব্রিসবেনে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট সংগ্রহ করে টেস্ট সিরিজে ভারতের হয়ে সর্বাধিক ১৩ উইকেট শিকার করেন সিরাজই।

দলকে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জিতিয়ে দেশে ফিরেই সিরাজ চলে গিয়েছিলেন বাবার সমাধিস্থলে। আর শুক্রবার অজিভূমে নিজের সাফল্যের উপহার হিসেবে নিজেকে বিএমডব্লু উপহার দিলেন মহম্মদ সিরাজ। শুক্রবার ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে নিজের নতুন লাক্সারি কারের ভিডিও পোস্ট করেন অস্ট্রেলিয়ায় সদ্য সমাপ্ত টেস্ট সিরিজের নায়ক। হায়দরাবাদের রাস্তায় সেই গাড়ি চালানোর একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে পোস্ট করে সিরাজ লেখেন ‘আলহামদুল্লিলাহ’।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ আইপিএলে বিরাট কোহলি নেতৃত্বাধীন আরসিবি’র হয়ে দুরন্ত পারফরম্যান্স করেই ডনের দেশে টেস্ট সিরিজের স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছিলেন সিরাজ। তবে এখানে গিয়ে নিজেকে এত স্বল্প সুযোগে সিরাজ যে প্রমাণ করবেন তেমনটা হয়তো প্রত্যাশা করেননি কেউই।

মেলবোর্নে অভিষেক টেস্টে পাঁচ উইকেট নিয়ে লাসিথ মালিঙ্গার ১৬ বছরের একটি পুরনো রেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন নিজামের শহরের পেসার। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সফরকারী দলের বোলার হিসেবে অভিষেক টেস্টে পাঁচ উইকেট নেওয়ার অনন্য কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।