স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট: সিঁদুরের পবিত্রতায় বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারলো না করোনা অসুর। ষষ্ঠী থেকে নবমী করোনার আতঙ্কে মানুষের আবেগকে আটকানো গেলেও দশমীর সকালের চিত্রটা সম্পূর্ণই উল্টো। অন্যান্য দিন গুলিতে পুজোর জোগাড় ও আয়োজনে মাস্ক স্যানিটাইজারের ব্যবহার তথা স্বাস্থ্য বিধি কড়াকড়ি থাকলেও।

দশমীতে সিঁদুরের লাল রঙে সেসব ঢাকা পড়ে গেলো বালুরঘাটে। সকালে রীতি অনুযায়ী সধবা মহিলারা থালায় সিঁদুর নিয়ে মায়ের সিঁথি ও পায়ে পড়িয়ে দিলেন। মায়ের মাথায় ঠেকানো সেই পবিত্র সিঁদুরই সিঁথি ও শাখায় মাখিয়ে একেঅপরকে মাখিয়ে দিলেন।

দূর্গা পুজোর অন্যতম রীতি সিঁদুর খেলার এই ছবির দেখার মিলেছে বালুরঘাটের প্রায় প্রতিটা মণ্ডপেই। মহিলা দেবীকে সিঁদুর পড়িয়ে স্বামী সন্তান তথা সকলের মঙ্গল কামনা করলেন। সেই সঙ্গে এই প্রার্থনা করেছেন যে আগামী বছর যেন করোনা মুক্ত পরিবেশে সবাই মিলে আনন্দে মেতে উঠতে পারেন।

সোমবার দশমীতে ব্রিজকালী পাড়ার মহিলারা এলাকার দূর্গা মন্ডপে ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে জড়ো হন। মায়ের কাছে আলতা সিঁদুর নিবেদনের পর নিজেদের মধ্যে সিঁদুর খেলায়মেতে উঠেছিলেন। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে ভিড় ছিলো একেবারেই কম।

ব্রিজকালী পাড়ার মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত দূর্গা পুজোয় আয়োজক মাতৃশক্তি সংঘ’র তরফে শিখা সাহা চৌধুরী জানিয়েছেন এবছর করোনার কারণে ষষ্ঠী সপ্তমী অষ্টমী ও নবমী একেবারেই অনাড়ম্বর ভাবে কেটেছে।

একদিকে স্বাস্থ্য বিধি আরেকদিকে হাইকোর্টের বিধিনিষেধ সব কিছুই কঠোর ভাবে পালন করেছেন তাঁরা। এমনকি সিঁদুর খেলাতেও সেগুলো যথাসম্ভব পালনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.