হায়দরাবাদ: প্রথম ভারতীয় হিসেবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের সোনার পদক জিতে ইতিহাস গড়ার পর থেকে সময়টা ভালো যাচ্ছে না পিভি সিন্ধুর। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর উপর্যুপরি বেশ কয়েকটা টুর্নামেন্টের শুরুতেই বিদায় নিতে হয়েছে রিও অলিম্পিকে রুপোজয়ী ভারতীয় শাটলারকে। তাঁকে ঘিরে অনুরাগীদের প্রত্যাশার চাপ যেমন থাকে প্রতিনিয়ত, ঠিক তেমনই ব্যর্থতায় সমালোচনাও হজম করতে হয় সিন্ধুকে। তবে সাময়িক ব্যর্থতায় হতাশ হয়ে পড়ছেন না পিভি। বরং ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করছেন অলিম্পিকের জন্য। নতুন বছরের শুরুতেই পুসারলা জানালেন, তাঁর একমাত্র লক্ষ্য এখন টোকিও অলিম্পিক থেকে দেশকে পদক এনে দেওয়া।

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর প্রত্যাশার ঊর্ধ্বমুখী পারদ ও পরবর্তী ব্যর্থতার অধ্যায় সম্পর্কে সিন্ধু বলেন, ‘বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপটা আমার কাছে সত্যিই অসাধারণ ছিল। তবে তার পর কয়েকটা টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ড থেকে আমাকে ছিটকে যেতে হয়েছে। তবে আমি সব সময় নিজেকে ইতিবাচক রেখেছি। কারও পক্ষে সব ম্যাচ জেতা কখনই সম্ভব নয়। কখনও আপনি দারুণ খেলবেন, আবার কখনও খেলার মাঝে ভুল করবেন। বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের পরবর্তী টুর্নামেন্টগুলোর ভুল থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। এই মুহূর্তে আমার কাছে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হল নিজেকে ইতিবাচক রাখা এবং দারুণভাবে ফিরে আসা।’

প্রত্যাশার চাপ ও সমালোচনা তাঁকে বিশেষ প্রভাবিত করে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন সিন্ধু। তাঁর কথায়, ‘আমি জানি আমাকে নিয়ে সকলের অনেক প্রত্যাশা এবং সেটা থাকবেও। তবে প্রত্যাশার চাপ ও সমালোচনায় আমি বিশেষ প্রভাবিত হই না। আমি যেখানেই খেলতে নামি না কেন, লোকে চাইবে আমি জিতে ফিরি। তবে আপাতত আমার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে অলিম্পিক।’

সিন্ধু আরও বলেন যে সুশীল কুমারের মতোই একাধিক অলিম্পিক থেকে দেশকে সাফল্য এনে দিতে চান তিনি। সেই লক্ষ্যেই টোকিওর কোর্টে নামেন। পিভি জানান, ‘সুশিল কুমার দেশকে অনেক গৌরব এনে দিয়েছেন। আশা করি আমিও সেই রকমই সাফল্য এনে দিতে পারব দেশকে। আশা করি টোকিও অলিম্পিকে পদক জিতে আরও একবার গর্বিত করতে পারব দেশবাসীকে। তার জন্য আমাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং নিজের সেরাটা মেলে ধরতে হবে।’