বাসেল: বাসেলে চলতি সুইস ওপেন ৩০০ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে ভাল দিন ভারতের জন্য। প্রত্যাশামতোই টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেলেন পুসারলা ভেঙ্কট সিন্ধু। পুরুষ সিঙ্গলসে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছলেন কিদাম্বি শ্রীকান্ত। মিক্সড ডাবলসে শেষ আটে জায়গা করে নিলেন সাত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি-অশ্বিনী পোনাপ্পা জুটি। দিনের সবচেয়ে বড় অঘটন র‍্যাংকিং’য়ে পঞ্চাশেরও উপরে থাকা ভারতীয় শাটলার অজয় জয়রামের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছনো।

টুর্নামেন্টের তৃতীয় বাছাই রাসমাস গেমকেকে হারিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিলেন এই দক্ষিণী শাটলার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইরিস ওয়াং’কে হারাতে এদিন খুব বেশি কসরত করতে হয়নি সিন্ধুকে। স্ট্রেট গেমে এদিন অলিম্পিক রুপোজয়ীর পক্ষে ম্যাচের ফল ২১-১৩, ২১-১৪। তবে র‍্যাংকিং’য়ে ৫০ত স্থানে থাকা ফ্রান্সের থমাস রক্সেলকে হারাতে বেগ পেতে হয় কিদাম্বি শ্রীকান্তকে। প্রাক্তন বিশ্বের এক নম্বর শ্রীকান্তের পক্ষে ম্যাচের ফল ২১-১০, ১৪-২১, ২১-১৪।

দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে ডেনমার্কের প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে ঘাম ঝরিয়ে জিততে হলেও পুরুষ সিঙ্গলসে চমকে দিলেন চেন্নাইয়ের শাটলার অজয় জয়রাম। তৃতীয় বাছাইয়ের বিরুদ্ধে ২১-১৮, ১৭-২১, ২১-১৩ ব্যবধানে জিতে নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রতিপন্ন করলেন জয়রাম। মিক্সড ডাবলসে সাম্প্রতিক সময়ে দারুণ ছন্দে থাকা সাত্বিকসাইরাজ-পোনাপ্পা জুটি হারালেন ইন্দোনেশিয়ান প্রতিপক্ষ রিনোভ রিভাল্ডি-পিথা হানিংতিয়াস জুটিকে। জানুয়ারিতে টোয়োটা থাইল্যান্ড ওপেন সুপার ১০০০ টুর্নামেন্টের সেমিতে পৌঁছেছিল এই জুটি।

খুশির মাঝেও খারাপ খবর পুরুষ সিঙ্গলস থেকে সৌরভ বর্মার ছিটকে যাওয়া। থাই প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে স্ট্রেট গেমে হেরে এদিন ছিটকে যান সৌরভ। বুধবারই মহিলা সিঙ্গলস থেকে ছিটকে যেতে হয়েছে আরেক তারকা শাটলার সাইনা নেহওয়ালকে। থাইল্যান্ডের ফিত্তায়াপর্ন চাইওয়ানের কাছে ১৬-২১, ২১-১৭, ২১-২৩ ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যান ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকের ব্রোঞ্জজয়ী।

উল্লেখ্য, কোয়ার্টার ফাইনালে দ্বিতীয় বাছাই পিভি সিন্ধু মুখোমুখি হবেন টুর্নামেন্টের পঞ্চম বাছাই থাইল্যান্ডের বুসানন অংবামরুংফানের। অন্যদিকে ২০১৫ এই টুর্নামেন্টের বিজেতা কিদাম্বি শ্রীকান্ত শেষ আটে খেলবেন ষষ্ঠ বাছাই থাই প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে। আর দ্বিতীয় রাউন্ডে চমকে দেওয়া জয়রামও নামবেন টুর্নামেন্টের অষ্টম বাছাই থাই প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।