ব্যাংকক: হার দিয়েই বিডব্লুএফ ওয়ার্ল্ড ট্যুর ফাইনালসে অভিযান শুরু করলেন পুসারলা ভেঙ্কট সিন্ধু। থাইল্যান্ড ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে ছিটকে যাওয়ার এক সপ্তাহের মাথায় এই হার অলিম্পিকে রুপোজয়ী শাটলারের সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন খাঁড়া করে দিল। যদিও বিশ্বের পয়লা নম্বর তাইওয়ানের তাই জু জিং’য়ের বিরুদ্ধে যথেষ্ট লড়াই করেই গ্রুপ ‘বি’র প্রথম ম্যাচ হারলেন হায়দরাবাদি শাটলার। সিন্ধুর বিপক্ষে ম্যাচের ফল ২১-১৯, ১২-২১, ১৭-২১।

৫৯ মিনিটের লড়াইয়ে বিশ্বের পয়লা নম্বরের বিরুদ্ধে এদিন হার শিকার করেন ২০১৮ চ্যাম্পিয়ন। তাইওয়ানের প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে ২১ বারের সাক্ষাতে এই নিয়ে ১৬তম হার রিও অলিম্পিকে রুপোজয়ীর। আগামীকাল অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের র‍্যাচতানক ইন্তাননের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে কোর্টে নামবেন তিনি। এই ইন্তাননের কাছেই গত সপ্তাহে হেরে থাইল্যান্ড ওপেন থেকে ছিটকে যেতে হয়েছিল বিশ্বের সাত নম্বরকে।

তাই জু’র বিরুদ্ধে এদিন প্রথম গেমে উত্তেজক লড়াই হয় সিন্ধুর। তাইওয়ানের প্রতিদ্বন্দ্বী গেমের অধিকাংশ সময় সিন্ধুর চেয়ে এগিয়ে থাকলেও শেষবেলায় বাজিমাত করে যান ভারতীয় শাটলার। শেষে টানা চারটি পয়েন্ট জিতে প্রথম গেম নিজের নামে করে নেন বছর পঁচিশের সিন্ধু। প্রথম গেমের বিরতিতে ১১-৮ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন তাই জু। কিন্তু পিছিয়ে পড়ে তেড়েফুঁড়ে শুরু করেন বিশ্বের পয়লা নম্বর। দ্বিতীয় গেমে ৬-০ লিড নিয়ে নেন তাইওয়ান শাটলার। ১১-৪ এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় গেমের বিরতিতে যান তাই জু।

বিরতির ক্রমাগত সিন্ধুর উপর চাপ এবং নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ম্যাচে সমতা ফেরান তাই জু। তাঁর পক্ষে দ্বিতীয় গেমের ফল ২১-১২। নির্ণায়ক সেটেও দারুণ শুরু করেন সিন্ধুর প্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু ৬-৩ তাই জু এগিয়ে গেলেও একসময় ৬-৬ করে ফেলেন সিন্ধু। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর নির্ণায়ক গেমে ১১-৯ ব্যবধানে সামান্য এগিয়ে থেকে বিরতিতে যান দ্বিতীয় বাছাই তাই জু। বিরতির পর দু’পয়েন্টের দূরত্ব বজায় রেখেই এগোতে থাকেন তাই জু। কিন্তু একসময় ১৭-১৩ ব্যবধানে লিড নিয়ে নেন সিন্ধুর প্রতিদ্বন্দ্বী।

যদিও ফের লড়াই দিয়ে ব্যবধানটা একসময় ১৬-১৮ এবং তারপর ১৭-১৯ নামিয়ে এনেছিলেন হায়দরাবাদি। কিন্তু শেষরক্ষা আর হয়নি। টানা তিনটি পয়েন্ট জিতে সিন্ধুকে ১৭-তে দাঁড় করিয়ে নির্ণায়ক গেম মুঠোয় ভরে নেন তাইওয়ান শাটলার এবং সেইসঙ্গে ম্যাচও। সিন্ধুর পরবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী ইন্তাননও এদিন প্রথম ম্যাচে হার স্বীকার করেছেন স্বদেশী চোচুয়ং’য়ের বিরুদ্ধে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।