কৃষ্ণনগর: ১৯শের লড়াই জিততে তৃণমূলের নজরে সিমপ্যাথি ভোট৷ তাই রানাঘাট লোকসভা থেকে এবার সদ্য প্রয়াত বিধায়কের স্ত্রীকে টিকিট দেওয়া হতে পারে৷ এমনই জল্পনার খবর ঘুরছে রাজ্যের শাসক দলের নেতা, কর্মীদের মধ্যে৷

আরও পড়ুন: নিরাপত্তার অভাববোধ করে কলকাতায় থাকতে চান নদিয়ার তৃণমূল বিধায়করা

২০১৪-এর লোকসভায় নদিয়ার রানাঘাট ও কৃষ্ণনগর দু’টি লোকসভাই ছিল তৃণমূলের দখলে৷ বিধানসভাতেও ফুটে ছিল জোড়া-ফুল৷ কিন্তু ১৮-র পঞ্চায়েতে জেলায় পাপড়ি মেলে পদ্ম৷ লড়াই বেশ কঠীন বুঝছে রাজ্যের শাসক দল৷ এই পরিস্থিতিতে গেরুয়া শিবিরকে হারিয়ে জয়ের খোঁজে মরিয়া তৃণমূল৷

শনিবার কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়করে মৃত্যুর পর থেকেই তাঁর জনপ্রিয়তা নিয়ে প্রচার শুরু করেছে জেলা তৃণমূল নেতারা৷ জানা যায়, দেহরক্ষীকে ছুটি দিয়েছিলেন বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস নিজেই৷ কেন হঠাৎ এই ছুটি দেওয়া হল? প্রশ্ন উঠতেই জেলা তৃণমূল সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্ত বলেন, ‘‘মানুষের কাছের লোক ছিলেন সত্য৷ তাই এই জেলায় তাঁকে কেউ গুলি করে মারতে পারে তা স্বপ্নেও ভাবা যায়নি৷’’

এদিকে লোকসভায় এবার লড়াই হবে সেয়ানে সেয়ানে৷ সূচাগ্র জমি ছাড়তে নারাজ বিজেপি৷ এই অবস্থায় সংগঠনের কর্মীদেরই বেশি করে টিকিট দিতে উদ্যোগী জোড়াফুল শিবির৷ তাই রানাঘাট কেন্দ্র থেকে ফের তাপস মণ্ডলের টিকিট পাওয়া অনিশ্চিৎ৷ কারণ তিনি সংগঠনের লোক নন৷ ভিন্ন পেশার মানুষ হিসাবে তাঁকে ভোটে লড়াই করার টিকিট দেন তৃণমূস সুপ্রিমো৷

আরও পড়ুন: তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্বেই খুন বিধায়ক, ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য

কিন্তু এবার প্রেক্ষাপট আলাদা৷ শুধু স্বচ্ছভাবমূর্তী থাকলেই জয় আসবে এনমটা মনে করছেন না তৃণমূল নেতৃত্ব৷ রাজনীতি ও সংগঠনে দক্ষদেরই তাই কাজে লাগাতে চান তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সঙ্গে যদি বাড়তি হিসাবে মেশানো যায় আবেগ তাহলে তো কেয়া বাত৷ এই সমীকরণ মাথায় রেখেই আগামী লোকসভায় রানাঘাট কেন্দ্র থেকে প্রয়াত বিধায়কের স্ত্রী রূপালীদেবীকে টিকিট দিতে পারে দল৷ এমনই জল্পনা সংগঠনের বড়, মেজ, ছোট নেতাদের মুখে৷