সোনার গয়না যতটা জনপ্রিয়, রূপো হয়ত ততটা নয়। কিন্তু এই ধাতুটিও জীবন বদলে দিতে পারে। বৈদিক জ্যোতিষে এমন বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে। বলা হয় বৃহস্পতি গ্রহ ও চাঁদের সঙ্গে রূপোর যোগ রয়েছে। শাস্ত্রে বিশ্বাস করলে, একথা ধরে নিতে হবে যে রূপোই ভাগ্য নিয়ে আসতে পারে। জীবনে আনতে পারে সুখ।

রূপ শরীরে ধারণ করলে, শরীর থেকে অনেক বিষ বেরিয়ে যায়। ফলে স্বাস্থ্যের জন্য এটি উপকারী। শুধু গয়না হিসেবে নয়, ঘরের কোনও আসবাব বা বাসন হিসেবে রূপোর জিনিস ব্যবহার করেও সংসারে অনেক পজিটিভটি আসে। যদি আপনার মন খুব অশান্ত হয়, তাহলে রূপো পারে আপনাকে শান্ত করতে।

কীভাবে পরবেন রূপো?

কোনও এক বৃহস্পতিবারে রূপোর আংটি কিনুন। দোকান থেকে বা অনলাইনে কিনতে পারেন সেই আংটি। এরপর সেটিকে সারারাত জলে ভিজিয়ে রাখুন, যাতে সব এনার্জি পরিষ্কার হয়ে যায়।

এরপর আপনার পূজার জায়গায় আংটিটা রেখে দিন অথবা হাতে নিবে জপ করুন ও আপনি জীবনে যা চাইছেন সেটা ভাবুন, তাতে ওই আংটিতে আসবে বিশেষ এনার্জি।

সব শেষে চন্দন কাঠের সঙ্গে আংটিটা রেখে দিন, তাতে এই আংটিতে থাকা সমস্ত এনার্জি বেরিয়ে যায়। এরপর আংটিটা পরুন ডান হাতের কড়ে আঙুলে। শাস্ত্র মতে এতে আপনার জীবনে একের পর এক ভালো ঘটনা ঘটতে শুরু করবে।

মূলত চাঁদ ও বৃহস্পতিবার প্রভাবে আপনার সমস্ত রাগ কমে যাবে ও আপনার মন শান্ত হবে। সর্দি, কাশি, আর্থারাইটিসের মত সমস্যা সেরে যায় এই আংটি ধারণে।

আংটি ছাড়াও রূপোর চেনও পরতে পারেন। এতেও একই প্রভাব পড়বে। রূপোর বাসনও সমান গুরুত্বপূর্ণ। রূপোর চামচে মধু খেলে সাইনাসের সমস্যা সম্পূর্ণ নির্মূল হতে পারে। বর্তমান জীবনযাত্রায় রূপোর বাসনে খেলে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।