কলকাতা: রাজ্য পরিবহণ দফতরের মুকুটে নয়া পালক। এবার শিলিগুড়ি থেকে কাঠমাণ্ডু পর্যন্ত চালু হচ্ছে বাস পরিষেবা। ফেব্রুয়ারি মাসের ১ তারিখ থেকেই শিলিগুড়ি থেকে সরকারি বাস যাবে কাঠমাণ্ডু। শিলিগুড়ি থেকে নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুর দূরত্ব ৪৮৫ কিমি। দীর্ঘ এই পথ যেতে সময় লাগবে প্রায় ১১ ঘণ্টা। বাসের ভাড়া যত কম রাখা যায় সেদিকেই নজর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। রাজ্য পরিবহণ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত ভলভো ও নন-ভলভো সরকারি বাস পরিষেবা চালু করা হবে। প্রতিদিন একটি করে বাস শিলিগুড়ি থেকে কাঠমাণ্ডু যাবে। অন্যদিকে কাঠমাণ্ডু থেকেও প্রতিদিন একটি করে বাস শিলিগুড়ি আসবে।

পর্যটনের প্রসারের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ রাজ্য সরকারের। উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থা চালু করছে শিলিগুড়ি-কাঠমাণ্ডু বাস পরিষেবা শিলিগুড়ি হল উত্তর পূর্ব ভারতের অন্যতম গেটওয়ে। শিলিগুড়ি থেকে সহজেই দার্জিলিং, ডুয়ার্স যাওয়া যায়। তেমনই শিলিগুড়ি থেকেই নেপাল ও ভুটানে যাওয়াও সহজ হয়। প্রায়ই ব্যবসায়িক কাজে অনেকেই শিলিগুড়ি থেকে নেপাল, ভুটানে যান। তবে পর্যটকদের বড় অংশই বিমানে যান কাঠমাণ্ডু। বহু পর্যটক আবার ছোট গাড়ি ভাড়া করে শিলিগুড়ি থেকে নেপালে যান। এবার এই রুটেই চালু হচ্ছে সরকারি বাস পরিষেবা।

শিলিগুড়ি থেকে কাঠমাণ্ডু সরাসরি সরকারি বাস পরিষেবা চালু হলে অচিরেই এই পরিষেবা জনপ্রিয় হবে বলে মনে করছে রাজ্য সরকার। প্রতি বছর বহু পর্যটক নেপালে যান। আবার অনেকের ইচ্ছা থাকলেও বেসরকারি মাধ্যমে যেতে টাকা বেশি লাগার জন্য যেতে চান না। কিন্তু সাধ্যের মধ্যে সরকারি বাস পরিষেবার মাধ্যমে এবার নেপাল পৌঁছনো গেলে ক্রমেই এই রুটে যাত্রী সংখ্যা বাড়বে বলে আশাবাদী রাজ্য সরকার। একইভাবে ব্যবসার কাজে যাঁদের প্রায়দিনই নেপাল যেতে হয় তাঁদেরও পছন্দের রুট হবে এই মাধ্যম।

রাজ্য পরিবহণ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ি থেকে কাঠমাণ্ডু রুটে ভলভো ও নন ভলভো বাস চালানো হবে। ভলভো বাসে ভাড়া নেওয়া হবে ১৩৯০ টাকা ও নন ভলভো বাসের ভাড়া নেওয়া হবে ১২৫০ টাকা করে। শিলিগুড়ি থেকে কাঁকরভিটা, ভদ্রপুর হয়ে কাঠমাণ্ডু পৌঁছবে সরকারি বাস।