কলকাতা: রাজ্য রাজনীতিতে কার্যত এক নক্ষত্রের পতন। বুধবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। কংগ্রেস, থেকে তৃণমূল, আবার কংগ্রেস। রাজ্যের দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ের সাক্ষী ছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁর এই চলে যাওয়াতে দলীয় নেতাদেরকেই দায়ী করলেন স্ত্রী শিখা মিত্র।

বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যুর পর শিখা মিত্র দলের বিরুদ্ধে হালকা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বলেন, সম্প্রতি রাজ্যের কিছু নেতাদের কথায় কষ্ট পেয়েছেন সোমেন মিত্র। সহ্য করতে পারতেন না। অনেক চাপ বেড়ে গিয়েছিল। তাঁর আক্ষেপ রাজনীতিতে না ফিরলে হয়ত এমন পরিণতি হত না।

এদিন তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট হওয়ার খবর শুনে খুশি হয়েছিলেন তিনি। যদিও কোনোদিনই পদ চাননি সোমেন মিত্র। ছেলে রোহন বাবাকে আর রাজনীতি করতে দিতে চাননি। তাই আক্ষেপটা রয়েই গেল শিখা মিত্রের।

অসুস্থ অবস্থায় গত কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। বুধবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিং হোমে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত রবিবার সেখানে ফোন করে সোমেনবাবুর স্বাস্থ্যের খোঁজও নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সোমেনবাবুর পরিবার সূত্রে জানানো হয়, আর তাঁর ডায়ালিসিসের কথা ভাবা হচ্ছে না। ইউরিয়া এবং ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নজরে রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি ঠিক থাকলে দু-এক দিনের মধ্যে সোমেনবাবুর পুরনো পেসমেকার বদলানোর কথা বলা হয়েছিল।

ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তারপরেই বেলভিউ নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয় তাঁকে। গত বুধবার তাঁর ডায়ালিসিস করা হয়। শরীরের অতিরিক্ত জল বের করে দেওয়া হয়। প্রায় দেড় লিটারের মত জল বেরিয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। ডায়ালিসিস হওয়ায় শরীরে দুর্বলতা ছিল।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই হার্টের সমস্যায় ভুগছেন সোমেন মিত্র। সাধারণত দিল্লি এইমসে চিকিৎসা করানো হয় তাঁর।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ