কলকাতা: অবসাদ এমন এক মানসিক রোগ যার সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকে আমাদের জীবনে যা মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে। পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে এই রোগের শিকার হচ্ছেন অনেকদিন আগে থেকেই। তবে বিজ্ঞানী ও গবেষকরা এখন আবার বলছেন যে বর্তমানে এর মাত্রা নাকি আরো বেড়ে গিয়েছে। ছোট থেকে বয়স্করাও অজান্তেই পড়ছেন অবসাদের কবলে। কিন্তু মনখারাপের সঙ্গে অবসাদকে গুলিয়ে ফেলবেন না। কোনটা মানসিক অবসাদ মন খারাপ সেটাও চিহ্নিতকরণ করাটা জরুরি। মানসিক অবসাদের ব্যাপারে জানতে চাইলে আজকাল অনলাইনের মাধ্যমে নানা গবেষণা খুঁজে পাবেন। কিন্তু অবসাদগ্রস্ত মানুষটি যে অবসাদ কাটিয়ে স্বাভাবিকের পথে এগোচ্ছেন, তার কী লক্ষণ সেটা জানা যায় না। এই লেখায় সেই সম্পর্কেই জানানো হলো আপনাদের।

১. মানসিক অবসাদের শিকার যিনি তার কারণ ছাড়াও নানা শারীরিক সমস্যা হতে থাকে। অস্বস্তি থেকে মাথা ঘোরা বা বমি ভাবও আসতে পারে। কিন্তু এই সব কিছুতে পরিবর্তন আসা এবং শরীর খারাপ হওয়ার পরিমাণ কমে আসাটা অবসাদ থেকে সেরে ওঠার অন্যতম লক্ষণ।

২. অবসাদ যখন ঘিরে ধরে তখন আমরা সমাজ থেকেই নিজেকে গুটিয়ে ফেলি। অবসাদ থেকে মাথা তুলে দাঁড়াতে শুরু করলে নতুন নতুন কাজ করার ভাবনা আসে। বই পড়া বা নাচ বা ফটোগ্রাফি বা কারও ভ্রমণের শখ থাকলে, সেই শখ পূরণ করতে ইচ্ছে হয় বা তা নিয়ে নাড়াচাড়া করতেও ভালো লাগে।

আরো পোস্ট- কমছে না ওজন! এই ফল ও সব্জি থাকুক দূরে

৩. অবসাদের জগতে সেই মানুষটি ছাড়া আর কাউকে সে চায় না। দেখা যায় যে অনেকেই মানসিক অবসাদে ভোগার দরুন প্রফেশনাল জগৎ থেকে সরে কাজ করাও ছেড়ে দেয়। কিন্তু একটা সময়ের পর সে কাজে ফিরতে চাইলে বা কাজের মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ চাইলেই বুঝতে হবে বা মনে রাখতে হবে যে তার অবসাদ থেকে মুক্তি মিলছে।

৪.মানসিক অবসাদ আসলে সারাদিন ক্লান্তি লাগে। কাজ করতে পারার ইচ্ছেটাই চলে যায়। কিন্তু অবসাদ থেকে সেরে উঠতে শুরু করলে কাজে আবার ফিরে যায় একটু একটু করে। প্রতিদিনকার কাজটাও তখন সে পরিপাটি করেই করে। মনোবিদরা বলে থাকেন, অবসাদ থেকে মুক্তি পেতে গেলে এভাবেই নিজেকে ব্যস্ত রাখাও প্রয়োজন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।