ওয়াশিংটন: হোয়াটসঅ্যাপ বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেঞ্জিং অ্যাপ। তবে এই অ্যাপের নতুন টার্মস অ্যান্ড পলিসি ঘিরে ছড়িয়েছে বিতর্ক। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে লোকেদের কাছে অপশন হিসেবে উঠে আসছে সিগন্যাল অ্যাপ। এর মধ্যে সিগন্যাল হল এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন যা কেবলমাত্র ব্যবহারকারীর কাছ থেকে পরিচিতি নম্বর নেয়। সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, আইনজীবি এবং সুরক্ষা বিশেষজ্ঞরাও প্রচুর মানুষ এই অ্যাপ ব্যবহার করে। কিন্তু আপনি জানেন কি এই সিগন্যাল অ্যাপের প্রতিষ্ঠাতা ব্রায়ান অ্যাক্টনের হাত ধরেই একসময় পথচলা শুরু করেছিল হোয়াটসঅ্যাপ।

২০০৯ সালে হোয়াটসঅ্যাপ তৈরি করেন ব্রায়ান অ্যাকটন। তবে তিনি একা নন, তাঁর সঙ্গে ছিলেন জাঁ কম। এরপর ধীরে ধীরে ৫ বছর সময়ে WhatsApp যখন জনপ্রিয়তার শিখরে উঠে যায়, ২০১৪ সালে এই মেসেজিং প্লাটফর্মকে অধিগ্রহণ করে ফেসবুক। এরপর প্রথম দিকে সব ঠিক থাকলেও পরে মার্ক জুকেরবার্গের সঙ্গে মতবিরোধ বাঁধে ব্রায়ানের। হোয়াটসঅ্যাপকে বাণিজ্যিক কারণে ব্যবহারের বিরোধী ছিলেন ব্রায়ান। অবশেষে ২০১৭ সালে মতবিরোধ চরমে পৌছলে হোয়াটসঅ্যাপ ত্যাগ করেন ব্রায়ান।

আরও পড়ুন – চিনের করোনা ভ্যাকসিন মাত্র ৫০ শতাংশ কার্যকর, ট্রায়ালে মুখ পুড়ল বেজিংয়ের

এরপরের বছরেই সিগন্যাল অ্যাপের প্রতিষ্ঠাতা করেন ব্রায়ান। এর অন্যতম দিক হল গোপনীয়তা। যার জেরে এখন সবাই হোয়াটসঅ্যাপ ছেড়ে ঝুঁকছে সিগন্যালের দিকে।

ব্রায়ান অ্যাকটন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্সের গ্রাজুয়েট ছাত্র ছিলেন। নিজের প্রথম জীবনে রকওয়েল ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি সংস্থায় সিস্টেম অ্যাডমিনিস্টেটর হিসেবে কাজ করেন তিনি। এরপর কাজ করেছেন অ্যাপেল-ইয়াহুতেও। এই ইয়াহু’তেই তাঁর সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় জাঁ কম-এর তাঁরাই দুজনে ২০০৯ সালে হোয়াটসঅ্যাপের প্রতিষ্ঠা করেন। এর ৯ বছর পরে ব্রায়ান বানান সিগন্যাল।

আরও পড়ুন – ‘রাজ্য বিনামূল্যে ভ্যাক্সিন দিচ্ছে, এমন বাজে কথা বলবেন না’, মমতাকে বিঁধলেন বাবুল

উল্লেখ্য, এই সিগন্যাল অ্যাপ এর অন্যতম দিক হল এর গোপনীয়তা। দুই ব্যক্তির কথোপকথন কোনও ভাবেই বাইরে আনা হয় না, সিগন্যাল অ্যাপে রয়েছে ইনকগনিটো কিবোর্ড অপশন। সিগন্যালের এই ইনকগনিটো কিবোর্ড ফিচারে অন্য অ্যাপ আপনার লেখা দেখতে পাবে না। এতে আপনাকে কোনও সাজেশন দেখানো হয় না, যাতে আপনার ফোনের অন্য অ্যাপগুলি আপনার লেখা দেখতে না পায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।