ফাইল ছবি

রাঁচি: রামমন্দির নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ফল কি অনুকূল হবে নাকি বিরোধী শিবিরের পক্ষে যাবে ভোট। এই প্রশ্ন নিয়েই শনিবার নির্বাচনী পরীক্ষায় বসবে বিজেপি। শেষ হল প্রথম দফার প্রচার।

পাঁচ দফা নির্বাচন। প্রতি পর্বেই রয়েছে প্রবল মাওবাদী হামলার শঙ্কা। ইতিমধ্যেই দুটি বড়সড় হামলায় রক্তাক্ত হয়েছে ঝাড়খণ্ড। নিরাপত্তারক্ষী ও রাজনীতিক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

রাজস্থানের পুর নির্বাচনে বিপুল পরাজয়, হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রে সরকার হাতছাড়া হওয়া আর সর্বশেষ পশ্চিমবঙ্গের তিনটি বিধানসভার উপনির্বাচনে হার বিজেপির কাছে প্রবল অস্বস্তির কারণ।সবমিলে প্রথম দফার প্রচার শেষ হতেই শুরু ভোটের সমীকরণ নিয়ে কাটা ছেঁড়া। এই অবস্থায় ঝাড়খণ্ড নির্বাচনে মরিয়া হয়ে ঝাঁপাচ্ছে বিজেপি।

নির্বাচন কমিশনের তালিকায় শনিবার প্রথম দফায় যে ১৩টি বিধানসভার ভোট হবে তার সবকটি মাওবাদী হামলায় বারে বারে রক্তাক্ত হয়। এই ১৩টি কেন্দ্র ছড়িয়ে আছে ৬টি জেলা- ছাতরা, পালামৌ, গুমলা, গারওহা, লাতেহার ও লোহারদাগা।

হামলার আশঙ্কায় নিরাপত্তা জোরদার হয়েছে। তবে মাওবাদীরা যে কোনও সময় বড়সড় হামলা চালাতে পারে তা স্বীকার করে নিয়েছে সবকটি জেলার পুলিশ প্রশাসন। ভোট বানচাল রুখতে তৎপর কমিশন।

লাতেহার ও পালামৌ জেলার সর্বত্র চলছে সশস্ত্র পুলিশ ও সিআরপিএফ টহল। লাতেহারে সম্প্রতি রক্ষীদের টহল দেওয়ার সময় হামলা করেছিল মাওবাদীরা। তাতে এক অফিসার সহ ৪ নিরাপত্তা কর্মীর মৃত্যু হয়।

এরকম হামলায় আগে বারে বারে রক্তাক্ত হয়েছে ঝাড়খণ্ড। গোয়েন্দা বিভাগের রিপোর্ট, মাওবাদীরা তাদের নীতি অনুসারে ভোটদানের বিরোধিতা করে জন জীবনে ভয় ছড়িয়েছে। সংগঠনের পুরনো নেতৃত্বের বদল হয়েছে। দায়িত্বে এসেছে কাঞ্চন। তার নেতৃত্বে আরও বড়সড় হামলা হতে পারে যে কোনও সময়ে।

তবুও নির্বাচন কমিশন তৎপর ভোট দানের হার বাড়িয়ে নিতে। প্রতি বুথে কড়া নিরাপত্তা থাকবে এমনই বলা হয়েছে। সুষ্ঠু ভোট করাতে মরিয়া কমিশন।

রাজ্যের ৮১টি বিধানসভা আসন। সরাসরি লড়াই হচ্ছে শাসক বিজেপির সঙ্গে বিরোধী ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা( জেএমএম )-কংগ্রেস- আরজেডি মহাজোটের।

বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসের নেতৃত্বে লড়ছে। বিরোধী মহাজোটের নেতা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও জেএমএম নেতা হেমন্ত সোরেন।