নয়াদিল্লি: সিধু বনাম অমরিন্দর সংঘাতে জেরবার পঞ্জাব কংগ্রেস৷ মন্ত্রিসভার বৈঠক বয়কট করে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কার্যত জেহাদ ঘোষণা করেছেন সিধু৷ এবার অমরিন্দরের নামে ‘নালিশ’ ঠুকতে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করলেন প্রাক্তন জাতীয় ক্রিকেটার৷ সোমবার দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর বাসভবনে যান সিধু৷ তাঁর সঙ্গে দেখা করে একটি চিঠি হাতে তুলে দেন৷ পরে ট্যুইট করে সেই সাক্ষাতের ছবি পোস্ট করেন৷

আরও পড়ুন: মহিলার কাঁধে হাত দিয়ে অশ্লীল নাচ, বিতর্কে বিধায়ক

ছবিতে রাহুল ছাড়াও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা ও আহমেদ প্যাটেলকে দেখা গিয়েছে৷ ট্যুইটে সিধু লেখেন, ‘‘কংগ্রেস সভাপতির সঙ্গে দেখা হল৷ তাঁকে একটি চিঠি দিয়েছি৷ রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতির কথা জানিয়ে এসেছি৷’’ রাহুলকে দেওয়া সিধুর চিঠি নিয়ে শুরু হয়েছে কৌতুহল৷

সিধুর সঙ্গে অমরিন্দরের সম্পর্ক কোনওদিনই মধুর ছিল না৷ দু’জনের মধ্যে ঠাণ্ডা যুদ্ধ যেন লেগেই থাকত৷ লোকসভা ভোটের সময় থেকে তা আরও বেড়ে যায়৷ ১৯এর নির্বাচনে স্ত্রী’র টিকিট না মেলার জন্য পক্ষান্তরে অমরিন্দরকে দায়ী করে সিধু৷ এরপর লোকসভা ভোটে গোটা দেশে ভরাডুবি হয় কংগ্রেসের৷ একমাত্র পঞ্জাব ও কেরলই কংগ্রেসের মুখ রক্ষা করে৷

আরও পড়ুন: দিল্লিতে দোভাল-অমিত শাহের বিশেষ বৈঠক, আলোচনায় থাকবে বাংলার সন্ত্রাস

তবে এই ফলাফলে সন্তুষ্ট ছিলেন না অমরিন্দর৷ ঘনিষ্ঠ মহলে সেই কথা জানান৷ পরে অবশ্য কোনও রাখঢাক না করেই প্রকাশ্যে রাজ্যে কংগ্রেসের খারাপ ফলের জন্য সিধুকে দায়ী করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ জানান, আসন আরও বাড়তে পারত৷ বিশেষ করে শহরাঞ্চলে আশানুরূপ ফল হয়নি৷ এর জন্য সিধু দায়ী৷ দায়িত্ব পালনে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন৷ তিনি কোনও উন্নয়নমূলক কাজই করেননি৷ সেই জন্য শহরের ভোটাররা কংগ্রেস থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়৷ এরপরই সিধুকে আটটি কমিটি থেকে সরিয়ে দেন অমরিন্দর৷ তাঁর কাছ থেকে পর্যটন ও সংস্কৃতি দফতর কেড়ে নেওয়া হয়৷ সেই তুলনায় কম গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুত এবং নতুন ও পুনর্নবীকরণ শক্তি দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়৷ বিদ্রোহ ঘোষণা করে গত একমাস ধরে সিধুও মন্ত্রিসভার বৈঠকে যাওয়া বন্ধ করে দেন৷