বেঙ্গালুরু: কর্ণাটকের উপনির্বাচনে বড়সড় ধাক্কা কংগ্রেসের। ইতিমধ্যেই পাঁচটি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। এগিয়ে আসছে সাতটি আসনে। দুটি আসনে এগিয়ে আছে কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে হার স্বীকার করে পদত্যাগ করলেন কর্ণাটকের বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস নেতা সিদ্ধারামাইয়া।

সোমবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ছবিটা পরিস্কার হয়ে যায়। আর তারপরই এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন সিদ্ধারামাইয়া। ইতিমধ্যেই তিনি সোনিয়া গান্ধীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
গণতন্ত্রকে সম্মান দেন, একথা জানিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা বলেন তিনি।

এই উপনির্বাচনে কার্যত পরীক্ষা ইয়েদুরাপ্পা সরকারের। এর ফলাফলের উপরেই নির্ভর করছে রাজ্যে বিজেপি সরকারের ভবিষ্যত্‍। কারণ, বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে ওই ১৫টি আসনের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পার দল বিজেপিকে অন্তত ৭টি আসনে জিততেই হবে।

গত ৫ ডিসেম্বর ওই আসনগুলিতে উপনির্বাচন হয়েছিল। আজ, সোমবার সকাল ৮টায় ভোটগণনা শুরু হয়। ট্রেন্ড দেখেই হার স্বীকার করে নিয়েছে কংগ্রেস।

অপ্রত্যাশিত ভাবে হারের পর শিবকুমার বলেন, ”জনমতের সঙ্গে সহমত হতে হবে আমাদের। পরাজয় মেনে নিলেও তা নিয়ে ব্যথিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ, উপনির্বাচন আরও নির্বাচন এক নয়। কংগ্রেসেরশক্তিশালী ঘাঁটি হল কর্নাটক। এবং এ রাজ্য থেকে কংগ্রেস উবে যাবে না।”

কংগ্রেসের ১৪ ও জেডিএসের ৩ বিধায়ক ইস্তফা দেওয়ার পর কর্ণাটকে ভেঙে যায় এইচ ডি কুমারস্বামীর সরকার। তার পরেই সরকার গঠন করে বিজেপি। ইস্তফা দানকারী ওইসব বিধায়কের বিধায়ক পদ খারিজ করেন বিধানসভার স্পিকার। তার ফলেই উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। রাজ্যের ১৫ আসেনই প্রার্থী দিয়েছিল কংগ্রেস ও বিজেপি। ১২ আসনে প্রার্থী দেয় জেডিএস।

কর্নাটক বিধানসভায় ২২৪টি আসনে এই মুহূর্তে বিজেপি সরকারের কাছে ১০৫টি বিধায়ক-সহ ১ জন নির্দল বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। অন্য দিকে, কংগ্রেস এবং জেডিএস জোটের রয়েছে যথাক্রমে ৬৬ ও ৩৪ জনের সমর্থন। ফলে এই উপনির্বাচনের ফলাফলের উপরে নির্ভর করছে, ইয়েদুরাপ্পা সরকার ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবেন কি না।