বেঙ্গালুরু: ২৫ জন সাংসদ নরেন্দ্র মোদীকে উপহার দিয়েছে কর্ণাটক৷ অথচ পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের একজনও দ্বিতীয় মোদী সরকারের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাননি৷ এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে এবার তোপ দাগলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া৷

বুধবার কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়া কন্নড় ভাষায় একটি ট্যুইট করেন৷ খোঁচা মেরে লেখেন, শুধু মুখে বড় বড় কথা বললেই দলিতদের ক্ষমতায়ন হবে না৷ তার জন্য কাজ করে দেখাতে হবে৷ লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের সংরক্ষিত আসন থেকে বিজেপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন৷ জয়ের জন্য তাদের শুভেচ্ছা৷ কিন্তু একজন দলিতকেও মন্ত্রিসভায় নেওয়া হল না৷ এর চেয়ে অবিচার আর কী হতে পারে? রাজ্যের মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে৷

উল্লেখ্য রাজ্যের ২৮টি আসনের মধ্যে ৫টি তপশিলি জাতি ও ২টি আসন উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত৷ সাতটি আসনের মধ্যে বিজেপি পায় পাঁচটি আসন৷ অথচ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হয়েছে প্রহ্লাদ যোশী, সদানন্দ গৌড়া ও সুরেশ অঙ্গদিকে৷ প্রহ্লাদ যোশী পেয়েছেন সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রক৷ কেন্দ্রীয় রাসায়নিক ও সার মন্ত্রক গিয়েছে সদানন্দ গৌড়ার কাছে৷ সুরেশ অঙ্গদি পেয়েছেন রেলের রাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ৷

সিদ্দারামাইয়াকে পাল্টা তোপ দেগেছে রাজ্য বিজেপিও৷ ট্যুইটে জানিয়েছে, উনি যদি সত্যিই দলিতদের কথা এত ভাবেন তাহলে মল্লিকার্জুন খাড়গেকে মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার হিসাবে মেনে নিন৷ কংগ্রেস-জেডি(এস) সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী জি পরমেশ্বরের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ান এই সিদ্দারামাইয়া৷ এই কথা সবাই জানেন৷ এখন তিনি দলিত দরদী হওয়ার নাটক করছেন৷

তবে রাজ্য বিজেপি নেতারা জানিয়েছেন, এখনই এত হতাশ হয়ে পড়ার কোনও কারণ নেই৷ আগামী দিনে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণে সম্ভাবনা প্রবল৷ তারা আশাবাদী, সেই সময় রাজ্য থেকে দলিত ও লিঙ্গায়েত নেতাদের মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসবেন মোদী৷