কলকাতা: এক অসুস্থ মহিলাকে ফুটপাত থেকে উদ্ধার করে কলকাতা পুলিশ৷ মানসিক সমস্যা থাকায়,তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করে পুলিশ৷ তারপর তাকে বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া হয়৷ জানা যায়, চোদ্দ বছর আগে নিখোঁজ হয়েছিলেন৷

লালবাজার জানিয়েছে,ঘটনার সূত্রপাত চলতি বছরের মার্চ মাসে৷ ফুলবাগান থানার অন্তর্গত শিবকৃষ্ণ দাঁ লেনে একটি বাড়ির সামনের ফুটপাথে অসহায় অবস্থায় পড়ে ছিলেন বছর পঁয়ত্রিশের এক মহিলা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মহিলাকে উদ্ধার করেন ফুলবাগান থানার ডিউটি অফিসার, সাব-ইনস্পেক্টর দীপঙ্কর হালদার।

প্রশ্নের উত্তরে মহিলা শুধু জানান, তাঁর নাম গীতা সরকার, স্বামীর নাম গোলক সরকার। এর বেশি আর কিছুই বলতে পারেননি তিনি।তাঁর মানসিক স্থিতাবস্থা ফিরিয়ে আনতে পুলিশের তরফে গীতা দেবীকে পৌঁছে দেওয়া হয় রয়েড স্ট্রিটে একটি এনজিও-র কাছে, যেখানে শুরু হয় তাঁর পরিচর্যা।

গত ৪ নভেম্বর ফুলবাগান থানাকে ই-মেইল মারফত ওই এনজিও জানায়, অবশেষে নিজের ঠিকানা বলতে পেরেছেন গীতা দেবী। খবর পাওয়ামাত্র মালদা জেলার বামুনগোলা থানা এলাকায় তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফুলবাগান থানা।

জানা যায়, ১৪ বছর আগে বাড়ি ছেড়েছিলেন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত গীতা দেবী। ফোন পেয়ে কলকাতায় এসে সম্প্রতি বোনকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছেন গীতা দেবীর দাদা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।