মুম্বই: সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু শোক থেকে এখনও বের হতে পারেনি তাঁর পরিবার। এখনো প্রত্যেকটি দিন ভাইয়ের স্মৃতিতে কাটছে তাঁর দিদিদের। এখনও বিশ্বাস করে উঠতে পারছেন না যে সুশান্ত আর নেই। সম্প্রতি প্রয়াত অভিনেতা দিদি শ্বেতা সিং কীর্তি ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করেন।

সেই পোস্টে শ্বেতা জানান যে ভাইয়ের মৃত্যু শোক থেকে এখনও তারা বেরোতে পারেননি। প্রত্যেকদিন চেষ্টা করছেন। তিনি পোষ্টটি লিখেছেন, “আমি বহু যন্ত্রণা পেয়েছি এবং এখনও পাচ্ছি। যে মুহুর্তে মনে হয় আমি স্বাভাবিক ভাবে জীবন যাপন করব, ঠিক তখনই যন্ত্রণাগুলো মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। এই যন্ত্রণা থেকে বেরোনোর গতি খুব ধীর এবং অনেক ধৈর্য দরকার। আমার যন্ত্রণা কমেছে কিনা সেই দিকে যদি আরো নজর দিতে থাকে তাহলে তা আরও বেড়ে যায়। যে ভাইকে আমি হারিয়েছি তার সঙ্গে ছোটবেলার প্রত্যেকটা মুহূর্ত কাটিয়েছি। ও আমার জীবনের একটা বড় অংশ ছিল। আমরা পরিপূরক ছিলাম। কিন্তু ও এখন আর নেই। সেটা মেনে নিয়ে বাঁচতে আমার সময় লাগবে।”

শ্বেতা তাঁর অনুরাগীদের জন্য একটি বার্তা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, “আমি একটা জিনিস জানি যে ঈশ্বর আছেন। এবং তিনি কখনও তার সত্তিকারের ভক্তদের নিরাশ করেন না। তিনি জানেন সুশান্তের ঘটনায় বহু মানুষ দুঃখ পেয়েছে এবং তাই সত্যি সামনে আসবে। ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস রাখুন। সকলে একসঙ্গে থাকুন এবং পরস্পরের সঙ্গে ঝগড়া করবেন না। আমরা যখন প্রার্থনা করি তখন আমাদের মন শুদ্ধ হয় এবং ঈশ্বর তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করার জায়গা পান। ভালোবাসা, দয়া এবং সহানুভূতি এগুলিই আসলে ঈশ্বর। তার মানে এই নয় যে ন্যায় বিচার চাওয়ার জন্য আমরা সরব হবো না আর। কিন্তু সম্মান বজায় রেখে যা করার করব। রেগে গেলে আমাদের শক্তি তাড়াতাড়ি ক্ষয় হয়। কিন্তু যাদের ধৈর্য্য আছে তারা সহজে হাল ছাড়েন না। তাদের দৌড় অনেক লম্বা। আমি আপনাদের থেকেও তেমনটাই আশা করি। আপনারা সকলে কতটা জরুরী আমার জন্য তা আপনারা জানেন না। আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করব সত্যিটা তাড়াতাড়ি সামনে আনার জন্য।”

প্রসঙ্গত ১৪ জুন মুম্বইয়ের ফ্ল্যাটে উদ্ধার হয় সুশান্তের দেহ। প্রথমে আত্মহত্যা বলে ধরে নেওয়া হলেও, পরে অভিনেতার পরিবার ও অনুরাগীরা দাবি করেন তাকে খুন করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করছে এই মুহূর্তে সিবিআই এবং ইডি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।