মুম্বই: মেয়ে পলক ও ছেলে রেয়াংশকে নিয়ে মহাবালেশ্বর বেড়াতে গিয়েছিলেন শ্বেতা। তারই কিছু মুহূর্ত উঠে এসেছে শ্বেতার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে। ছবিতে বেড়াতে গিয়ে ছেলে রেয়াংশকে খাওয়াতে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারি।

কখনো ছেলেকে স্ট্রবেরি মিল্কশেক খাওয়াতে, আবার কখনো ছেলে রেয়াংশের হাত ধরে মহাবালেশ্বরের জঙ্গল ভ্রমণে শ্বেতা তিওয়ারি। শ্বেতার সঙ্গে মহাবালেশ্বরের জঙ্গল ভ্রমণের সময় কালো পোশাকে তাক লাগালেন পলক।

অন্যদিকে ব্যক্তিগত জীবনেও বেশ ঝড় এর মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন শ্বেতা তিওয়ারি।তাঁর বর্তমান স্বামী অভিনবের থেকে আইনি বিচ্ছেদ চেয়ে আবেদন করেছেন শ্বেতা। ২০১৩ সালে অভিনব কোহলিকে বিয়ে করেন শ্বেতা তিওয়ারি। তাঁদের এক সন্তানও রয়েছে। নাম রেয়াংশ কোহলি। বর্তমানে অভিনব এবং শ্বেতা আলাদা থাকছেন।

১৯৯৮ সালে ভোজপুরী অভিনেতা রাজা চৌধুরীর সঙ্গে প্রথম বার সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন শ্বেতা তিওয়ারি। শ্বেতার বয়স ছিল মাত্র ১৯। মিউচুয়াল বন্ধুর মাধ্যমে রাজার সঙ্গে আলাপ হয়েছিল শ্বেতার।
এক বছরের মধ্যেই রাজা ও শ্বেতার সম্পর্কে আসে কালো মেঘ, তিক্ততায় ভরে যায়। অভিযোগ শ্বেতাকে মারধর করতেন রাজা। শ্বেতার কথায়, রাজার সঙ্গে সাত বছরের বৈবাহিক জীবন তাঁর কাছে ছিলো নরকসম ৬ বছর তাঁর কাছে এতটাই ভয়ঙ্কর, যে স্মৃতি তাঁকে বিবাহ-বিচ্ছেদের পরও তাড়া করে বেড়াবে। বিবাহ-বিচ্ছেদ পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন তিনি।

রাজার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর সংবাদ মাধ্যমকে শ্বেতা জানিয়েছিলেন, ” আমি নরক যন্ত্রণার মধ্যে ছিলাম! আমার বিয়ের সাত বছর হয়েছে, এর মধ্যেই ৬ বছরই আমি বিবাহ-বিচ্ছেদের জন্য লড়াই করছি। এটা যেন ১৩-১৪ বছরের বনবাস। যেখান থেকে অবশেষে বের হয়ে আসতে পারলাম।” তারপর ২০১৩ সালে অভিনব কোহলিকে বিয়ে করেন শ্বেতা তিওয়ারি। তাই একথা বলাই যায় ব্যক্তিগত জীবনের ঝড় ঝাপটা সামলাতে সামলাতে অনেকটাই ক্লান্ত শ্বেতা। কিছুটা সময় নিজের মতন করে আলাদা করে ভালো কাটাতেই, সন্তানকে নিয়ে কোয়ালিটি টাইম কাটাচ্ছেন তিনি। ঘুরে বেড়াচ্ছেন মহাবালেশ্বরে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।