কলকাতা : ব্রিগেডের সভা (Brigade Meeting)থেকে আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) নন্দীগ্রামে হারানোর কথা ঘোষণা করলেন প্রাক্তন তৃণমূল (TMC) নেতা ও মন্ত্রী বর্তমান বিজেপি নেতা ও নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি রবিবার ব্রিগেডের সভা মঞ্চ থেকে এই কথা পর পর তিনবার ঘোষণা করেন। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমি নন্দীগ্রামের ছেলে। ওখানে রাজনীতি করেছি। আমি নন্দীগ্রামের মাটি চিনি।” এর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমি নন্দীগ্রামে মাননীয়াকে হারাবোই, হারাবোই, হারাবোই। আপনি রেজিগনেশন লিখে রাখুন।” এ যেন ভোটের লড়াইয়ে নিজেরে প্রাক্তন নেত্রীকে পরাজিত করার শপথ।

শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন,”পশ্চিমবঙ্গে আবার তৃণমূল ক্ষমতায় আসলে এবার মানুষের কিডনি বিক্রি হবে। কেননা তৃণমূল সরকার কোনও কাজ করেনি। ২ কোটি বেকারের চাকরি কোথায়? রাজ্যে শিল্প হয়নি, সমুদ্র বন্দর হয়নি। এখন তৃণমূল কোনও রাজনৈতিক দল নয়। এটা একটা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। এই কোম্পানিতে থাকতে হলে সম্মান নিয়ে থাকা যায় না। এটা আমি বলেছি। এখন দীনেশ দা বলেছেন দম বন্ধ হয়ে আসছে।”:
শুভেন্দু অধিকারী এদিন তাঁর ভাষণে ছত্রে ছত্রে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন। এর পর মিঠুন চক্রবর্তীর মঞ্চে উপস্থিতিকে উল্লেখ করে বলেন, “আমি মিঠুনদার সঙ্গে এক সময় অনেক প্রচার করেছি। তিনি ছুটে এসেছেন কেন? তিনি চান না বাংলা পিছিয়ে পড়ুক।”

গত ২৮ ফেব্রুয়ারির বাম, কংগ্রেস, আব্বাসের ব্রিগেড সমাবেশকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, “আজ সব দল এখানে এসেছেন। কিছুদিন আজে ব্রিগেড ‘হ য ব র ল’-র এক হয়েছিল। এক ঝুড়ি লোক এসেছিলো। সিপিএম, কংগ্রেস, জোট বাংলাকে ভাগ করতে চায়।”

এর পর আবার তৃণমূল সরকারের নামে সমালোচনা করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মাননীয়া বলেছিলেন কলকাতাকে লন্ডন বানাবেন, দার্জিলিংকে সুইৎজারল্যান্ড বানাবেন। সেটা হয়নি। মাননীয়া ৫০০ কোটি টাকা খরচ করে বুদ্ধি কিনেছেন। প্রথমে বলল, দিদিকে বলো,তারপর বাংলার গর্ব। কেন বাংলার গর্ব বিদ্যাসাগর, চৈতন্যদেব , সুভাষ নয় কেন? এখন বলছে বাংলার মেয়ে। শুনে রাখুন আপনাকে বাংলার মেয়ে বলে কেউ স্বীকার করে না।”

শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন,, “এই রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসলে কাশ্মীরের ব্রাহ্মণদের যা অবস্থা হয়েছে, এই রাজ্যেও তাই হবে। চুঁচুড়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সভায় বলেছিলেন, “দেশ, ভারতমাতা এগোচ্ছে। সেখানে পিছিয়ে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। এই রাজ্যে কাটমানি, তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ রুখতে না পারলে রাজ্যের উন্নতি হবে না। আমি ২১ বছর তৃণমূল করেছি। ভাইপো বলেছেন পদ্মের বোটা শুকিয়ে যায়। আমি বলছি আমরা তৃণমূল থেকে এসেছি, তৃণমূলকে সমূলে উৎপাটিত করবোই।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।