প্রত্যেকমাসে ৩০ লক্ষ টাকা করে তাইল্যাণ্ডের ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। ম্যাডাম নারেলার নামে ঢুকেছে। কে ইনি? একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর।

লালার টাকা, এনামুলের টাকা। গরু পাচারের টাকা খেয়েছ তো তুমি!

মাননীয়া-তোলাবাজ বিনয় মিশ্র সম্পর্কে কিছু কেন বলছে না? দশ বছর মধু খেয়েছি! মধু তো তুমি খাচ্ছো। চিকিৎসা করাতে সিঙ্গাপুরে যাও। আর আমি গ্রামের হাসপাতালে। আমার বাড়িতে ১০ বছরে একটা তালা ও বাড়েনি। তোমার তো একের পর এক প্লট। হরিশচন্দ্র স্ট্রিটে চার তলা বাড়ি, দুর্গাপুরে কারখান। পুরিতে হোটেল। আর কি বলব…!

১৮ বছর বয়সে বড় আমি অভিষেকের থেকে! নেত্রী বিজেপির স্লোগান চুরি করেছে…হরি বোল হয়ে গিয়েছে। আর ও সব করে কিছু হবে না।

নারদায় কে ডি সিং টাকা ঢেলেছিল। সৌগত, ফিরহাদদের কি হবে? প্রশ্ন তুললেন শুভেন্দু অধিকারী।

জেলে থাকা সুদীপ্ত সেনের থেকে চিঠি লেখানো হয়েছে। ২১ এর ভোটে যারা যারা বিরোধীতা করতে পারে তাঁদের নাম লেখানো হয়েছে। নবান্ন থেকে ১ ডিসেম্বর এই চিঠি লেখানো হয়েছে। 

অভিষেককে জবাব শুভেন্দুর! বাবুসোনা বলে কটাক্ষ। ছোট বয়স থেকে চিটিংবাজ শিখেছে ও। এমবিএ-করেছে ফেক বিশ্বভারতী থেকে। সে নামে দিল্লিতে কোনও বিশ্ব বিদ্যালয়ই নেই।

গত কয়েকমাসে বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচার বেড়েছে। মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশকে নজিরবিহীন আক্রমণ বিজেপি নেতার।

সভায় বক্তব্য রাখছেন শুভেন্দু অধিকারী। বক্তার শুরুতেই তোলাবাজ ভাইপো বলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানালেন। নতুন পুলিশ সুপারকে পাঠিয়েছেন নাকি অভিষেক। এমনটাই অভিযোগ তাঁর।

পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে কিছুক্ষণের মধ্যেই সভা করবেন শুভেন্দু অধিকারী। গত ১৯ জানুয়ারি হেঁড়িয়ায় শুভেন্দুর সভায় যোগ দিতে আসার পথে খেজুরির কয়েকজন বিজেপির কর্মীর ওপর হামলা হয় বলে অভিযোগ।

ওই ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে আজ তমলুকে পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি রয়েছে বিজেপি নেতার। তার আগে তিনি তমলুকের হসপিটাল মোড় থেকে মানিকতলায় পুলিশ সুপারের অফিস পর্যন্ত মিছিল করে আসবেন।

গতকাল রবিবার তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দুর বিরুদ্ধে যে যে অভিযোগ করেছেন, আজ তমলুকের সভা থেকে তাঁর জবাব দেবেন বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।