কাঁথি: রাজ্য রাজনীতিতে এই মুহূর্তে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুরের দাপুটে এই নেতাকে ঘিরে নানা জল্পনা- কল্পনা রাজ্য রাজনীতিতে। গত ৭/৮ মাস ধরে সেই জল্পনা ক্রমে বেড়ে চলেছে।

কখনও দলীয় অনুষ্ঠানে যোগদান করছেন না। এমনকি অনুগামীদের নিয়ে সভা করা এবং নাম না করে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কড়া কড়া মন্তব্য করতেও শোনা যাচ্ছে তাঁকে। স্বাভাবিকভাবেই তা নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি।

দিঘা, কোলাঘাট ও নন্দীগ্রামের পর এক মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছে শুভেন্দুকে। এবার কাঁথি শহর জুড়ে শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে পোস্টার দেওয়া হয়েছে। সেই পোস্টারে লেখা দাদার সঙ্গে ছিলাম, আছি আর থাকবো। পাশাপাশি লেখা রয়েছে জননেতা এগোচ্ছে কারও ক্ষমতা নেই।

সেই পোস্টারে একাধিক অনুগামীর স্বাক্ষর রয়েছে। সেই অনুগামীরা হলেন তৃণমূলের নেতা কর্মী। তারাই তাদের মনের কথা পোস্টারের মধ্যে লিখেছে। তবে কি শুভেন্দু অধিকারী অনুগামীদের নিয়ে নতুন দল গড়তে চাইছেন? তা এখনো পরিস্কার নয়। আর কয়েকটা দিন পরে বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে যাবে। তার মধ্যে রাজ্যের অন্যতম হেভিওয়েট মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই ধরনের মন্তব্য ও পোস্টারকে ঘিরে নানা জল্পনা।

কবে দূর হবে এই জল্পনা সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্যের অধিকাংশ মানুষ। তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি তথা রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরি জানান, আজ সকালে আমার বিধানসভা এলাকা সহ পাশাপাশি এলাকায় শুভেন্দুর ছবি দিয়ে পোস্টার পড়েছে। দলে থেকে আবার কিসের অনুগামী। বিষয়টি রাজ্যস্তরে জানিয়েছি। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।

গত শনিবার নন্দীগ্রামের এক অরাজনৈতিক বিজয়ের সম্মিলনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে শুভেন্দু বা তার অনুগামীদের নিজের মুখ থেকে কিছু না শোনা পর্যন্ত কোনও ভুয়ো খবরে কান না দেওয়ার কথা বলেন তিনি।

আর তার ঠিক পরের দিনই নন্দীগ্রামের এক সরকারি অনুষ্ঠানে দেখা যায় শুভেন্দু অধিকারীকে। যা থেকে ফের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।

এখন সকলের মনে কেবল একটিই প্রশ্ন তবে কি দলের বিশ্বস্ত সৈনিক শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল- কংগ্রেসেই থাকছেন? এই প্রশ্নও রবিবারের পর থেকে ঘোরাফেরা করছে রাজনৈতিক মহলের কম বেশি সবার মুখেই । তবে গত কয়েক মাস আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চে অনুপস্থিত থাকতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে কারণ সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

আর যা নিয়ে রীতিমতো জল্পনার ঝড় উঠেছিল অনেকের মনেই। উল্টে অন্য এক অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছিল শুভেন্দুকে। যা থেকে শুরু হয় জল্পনা। এর ঠিক বেশ কয়েক মাস পর তুমুল জল্পনার মাঝে এবার নিজের জেলা পূর্ব মেদিনীপুরেই শুভেন্দুকে দেখা গেল সরকারি অনুষ্ঠান মঞ্চে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।