তমলুক: প্রথমে HRBC-র চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা। পরে, মন্ত্রিত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত। এরপরই শিবির বদল করবেন তিনি, সহজ হিসেবে এমনটাই মনে করছেন সাধারণ মানুষ। তাই রাজ্য রাজনীতির জল কোন দিকে গড়াচ্ছে, সেদিকে তাকিয়ে আছে সব পক্ষই।ৱ

এরই মধ্যে রবিবার ছিল শুভেন্দুর মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর প্রথম সভা। তাই সেখানে তিনি কী বলেন, সেই অপেক্ষায় ছিলেন সাধারণ মানুষ থেকে রাজনৈরিক নেতারা।

তবে তিনি যে আর পাঁচজন আম নেতাদের থেকে আলাদা, সেটাই এদিন বুঝিয়ে দিলেন অধিকারী সাম্রাজ্যের যুবরাজ। গরম গরম বক্তৃতা শোনার জন্য যখন সবাই মুখিয়ে আছে, সেই সভায় পোড় খাওয়া জননেতা স্পিকটি নট।

রাজনীতির ছায়াই মাড়ালেন না তাঁর বক্তব্যে।

এদিন ছিল সদ্য প্রয়াত স্বাধীনতা সংগ্রামী তণজিৎ বয়ালের স্মরণসভা। আর সেখানেই উপস্থিত হন শুভেন্দু। অরাজনৈতিক মঞ্চে রাজনীতির কোনও কথাই তুললেন তিনি। এমনকি সভার রঙ ছিল নীল-সাদায় মোড়া।

জননেতার সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন বহু মানুষ। মহিচষাদল রাজবাড়ি চত্বরে কয়েক হাজার মানুষ এসেছিলেন। আর সেখানে স্বাধীনতা সংগ্রামে তমলুকের ভূমিকা নিয়েই কথা বলে গেলেন শুভেন্দু। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার গঠনের কথা বললেন তিনি।

এমনটাই বলতে শোনা গেল, ‘সংবিধান মেনে মানুষের সেবা করব। সংবিধানের শক্তিতেই মানুষ শেষ কথা বলে।

এদিন তিনি বলেন, ‘আমি বাংলা ও বাঙালির সেবক। আগামী দিনেও জনতা ও জনার্দনকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাব। রাস্তায় থাকব। জনগণই চিরকাল শেষ কথা বলে। জনসমুদ্রকে সামনে রেখে দেশপ্রেমিক ও জাতীয়তাবাদকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার যে দায়িত্ব পূর্বতন দেশপ্রেমিক মানুষরা আমার কাঁধে দিয়েছেন, তা এগিয়ে যাব।’

এদিন মহিষাদলের সংক্ষিপ্ত সভায় মাত্র ১৭ মিনিট বক্তব্য রাখেন এই জননেতা। সেই ১৭ মিনিটের বক্তব্যে বিপ্লবী সুশীল ধাড়ার কথা বারবার বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। একবারও নেননি তৃণমূল বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। তোলেননি রাজনীতির কোনও প্রসঙ্গও। তবে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মধ্যেই আলোচনা করলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জীবন আর তাঁর তাম্রলিপ্ত জনকল্যাণ সমিতিকে নিয়ে। তবে সবশেষে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি জানালেন, সারাজীবন তিনি মানুষের সেবাই করতে চান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।