ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কাঁথি: নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর দলবদলের জল্পনা যখন তুঙ্গে তখন চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন তাঁরই ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা কনিষ্ক পণ্ডা। তাঁর দাবি, একুশে শুভেন্দুই মুখ্যমন্ত্রী হবেন।

শনিবার কনিষ্ক বলেন, “মেদিনীপুরের ছেলে মুখ্যমন্ত্রী হবে অপেক্ষা করুন।” শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার এহেন মন্তব্য নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে স্বাভাবিক জোরাল আলোচনা শুরু হয়েছে।

তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিন কাঁথিতে দেওয়ালে গেরুয়া রং করে শুভেন্দু অধিকারী সহায়তা কেন্দ্র খুললেন তাঁর অনুগামীরা। এমনকী, গেরুয়া রং-এর পাঞ্জাবী পরে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করতেও পিছপা হলেন না শুভেন্দু অনুগামী হিসেবে পরিচিত তৃণমূল নেতা কনিষ্ক পণ্ডা!

কনিষ্ক বলেন, “দিদির সব কিছু ঢপ। দিদির স্বাস্থ্যসাথী ঢপ। যখন হাসপাতালে নিয়ে যাবেন তাড়িয়ে দেবে। দিদির কাছে কোনও টাকা নেই। দিদির যা ঋণ আছে ঢেকে দিলেও ঋণ শোধ হবে না। বাংলার মানুষ বুঝে গিয়েছেন শুভেন্দুকেই দরকার। আর ত্যাগ বলতে গেরুয়া।”

তবে নন্দীগ্রামের বিধায়কের রাজনৈতিক অবস্থান কী হতে চলেছে, তা স্পষ্ট করেননি কনিষ্ক। তিনি বলেন, ‘অবস্থান একেবারে স্পষ্ট শুভেন্দু অধিকারী বরাবরই করে এসেছেন। আজকে নতুন করে কিছু নেই তো। তাড়ালে আমরা চলে যাব। শুভেন্দু অধিকারী কোনওভাবে পদের লোভী নন। আমাদের কাছে ক্লিয়ার – তুমি তাড়াওনি, আমি যায়নি।’

কিছুদিন আগেই শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তার প্রয়োজন বলে দাবি করেছিলেন এই কনিষ্ক পণ্ডা। তাঁর অভিযোগ ছিল, শুভেন্দুকে খুনের চক্রান্ত হচ্ছে। শুভেন্দুর নিরাপত্তার দাবিতে রাজ্যপালের কাছে যাওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। উল্লেখ্য, মন্ত্রিত্ব-সহ বেশ কয়কটি পদ ছাড়ার পর নিরাপত্তাও ছেড়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।