কলকাতা: ভোটের মুখে সরকারি পদ ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী(Shuvendu Adhikari)৷ ভোটে দাঁড়ানোর জন্যই কি তার এই সিদ্ধান্ত৷ তা সময়ই বলবে৷ ইস্তফাপত্রে শুভেন্দু লিখেছেন, ‘এই মুহূর্ত থেকে কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রকের দেওয়া জুট কর্পোরেশনের অস্থায়ী চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি। দয়া করে আমার ইস্তফাপত্র গ্রহণ করবেন।’

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর পরই কেন্দ্রীয় সরকারের জুট কর্পোরেশনের অস্থায়ী চেয়ারম্যান পদ পান তিনি৷ এই পদটি একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মর্যাদার৷ পদের মেয়াদ ছিল তিন বছর৷ কিন্তু ভোটের জন্য দু’মাসের মধ্যেই পদ ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী(Shuvendu Adhikari)৷ এমনটাই সূত্রের খবর৷

এদিকে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, বিজেপি শুভেন্দু অধিকারীকে এবার প্রার্থী করতে পারে৷ তবে সেটা কোথায় তা জানা যায়নি৷ পুরোন কেন্দ্র নন্দীগ্রামেই টিকিট পান কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়৷ কারণ নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও৷

২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তৃণমূলের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী৷ নাটকীয় অধ্যায় শেষে ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেছিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় গিয়ে অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করেছিলেন তিনি৷

পরে সাংবাদিক বৈঠকে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘‘শুভেন্দু অধিকারীর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। ইস্তফাপত্রে পদ্ধতিগত ত্রুটির জেরে শুভেন্দু অধিকারীকে কয়েকটি প্রশ্ন করা হয়েছিল। তাঁর উত্তরে আমি সন্তুষ্ট হয়েছি। আজ থেকে শুভেন্দু অধিকারী আর বিধানসভার সদস্য নন।’’

তৃণমূলের সঙ্গে মতানৈক্যের শুরু লকডাউন পর্বের শুরু থেকে। একটানা কয়েক মাস দলের ব্যানার ছাড়াই একের পর এক সভা-সমিতিতে হাজির হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নাম না করে তুলোধনা করেছেন শাসকদলের নেতাদের।

তাঁর রোষানল থেকে বাদ পড়েননি স্বয়ং তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এক সময় শুভেন্দু দল বদল করবেন বলে জল্পনা চরমে ওঠে তৃণমূলের অন্দরেই। শেষমেশ সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মেদিনীপুরে অমিত শাহের উপস্থিতিতে সভায় বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী।

তার আগে নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন শুভেন্দু। তবে তাঁর পাঠানো ইস্তফাপত্রে পদ্ধতিগত কিছু ত্রুটি থাকায় তা গ্রহণ করেননি বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে কলকাতায় এসে বিধানসভা ভবনে যান শুভেন্দু অধিকারী।

অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন করেন। তার পরেই সাংবাদিক বৈঠক করেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, শুভেন্দু অধিকারীর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। ইস্তফাপত্রে পদ্ধতিগত ত্রুটির জেরে শুভেন্দু অধিকারীকে কয়েকটি প্রশ্ন করা হয়েছিল।

তাঁর উত্তরে তিনি সন্তুষ্ট হয়েছেন। আজ থেকে শুভেন্দু অধিকারী আর বিধানসভার সদস্য নন। শুভেন্দু অধিকারী ইস্তফা দেওয়ায় তাঁর বিধানসভা কেন্দ্রটি ফাঁকা হয়েছে। শীঘ্রই এব্যাপারে যথোপযুক্ত পদক্ষেপ করতে নির্বাচন কমিশনকে আবেদন জানাবেন বিধানসভার অধ্যক্ষ।

রাজ্য বিজেপিতে শুরু ‘শুভেন্দু-যুগ’। আসন্ন বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে পুরোদমে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যুক্ত হয়ে পড়েছেন একদা তৃণমূলের অন্যতম শীর্ষ নেতা শুভেন্দু অধিকারী। মেদিনীপুর কলেজ মাঠে বিজেপির সভায় দলের শীর্ষ নেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী।

সেদিন শাহের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু। পরে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় তিনি জানান, তাঁর পুরনো দল তৃণমূলের হয়ে যেভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকতেন ঠিক তেমনি বিজেপিতেও সক্রিয় ভূমিকায় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।