হায়দরাবাদ: হায়দরাবাদে পিভি সিন্ধু, সাইনা নেহওয়ালদের জাতীয় শিবিরে করোনার হানা। শিবির শুরুর এক সপ্তাহের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হলেন শাটলার এন সিক্কি রেড্ডি (ডাবলস) এবং ফিজিওথেরাপিস্ট কিরণ জর্জ। রাজ্য সরকারের অনুমতি নিয়ে লকডাউন পরবর্তী সময় খোলার দিনকয়েকের মধ্যে ফের স্যানিটাইজেশনের জন্য বন্ধ হল হায়দরাবাদের পুল্লেলা গোপীচাঁদ ব্যাডমিন্টন অ্যাকাডেমি।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতি মারফৎ এন সিক্কি রেড্ডি এবং কিরণ জর্জের করোনা আক্রান্তের খবর প্রকাশ করেছে স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া। তবে অ্যাথলিট এবং ফিজিওথেরাপিষ্ট দু’জনেই উপসর্গহীন, জানিয়েছে সাই। ‘অ্যাথলিট, কোচ এবং সাপোর্ট স্টাফ সহ সকল ক্যাম্পারদেরই গত ৭ অগস্ট শিবির শুরুর আগে বাধ্যতামূলক করোনা পরীক্ষা করা হয় সাই’য়ের তরফ থেকে। তাদের মধ্যে দু’জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।’ জানিয়েছেন পুল্লেলা গোপীচাঁদ নিজেই। প্রোটোকল মেনে আগাম সতর্কতামূলক সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। তাই প্লেয়াররা খুব শীঘ্রই নিরাপদে অনুশীলনে ফিরতে পারবে বলে জানানো হয়েছে।

আক্রান্ত মহিলা শাটলার এবং ফিজিও দু’জনেই হায়দরাবাদের বাসিন্দা এবং রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর দু’জনকেই তড়িঘড়ি হোম আইসোলেশনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্যানিটাইজেশনের জন্য আপাতত কয়েকদিনের জন্য বন্ধ রাখা হবে আকাডেমি। একইসঙ্গে প্রাথমিকভাবে রেড্ডি এবং কিরণের সংস্পর্শে আসা সকলকে আরসি পিসিআর পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে সাই কর্তৃপক্ষ।

তেলেঙ্গানা সরকারের সবুজ সংকেত পাওয়ার পরেই দেশের প্রথম সারির শাটলারদের অনুশীলন চালু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করে স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া। উল্লেখ্য, গত ৫ অগস্ট থেকে রাজ্যে গাইডলাইন মেনে সমস্তরকম স্পোর্টিং ইভেন্ট চালু করার অনুমতি দিয়েছে তেলেঙ্গানা সরকার। অলিম্পিকে পদক জয়ের লক্ষ্যকে সামনে রেখে ৭ অগস্ট অর্থাৎ গত শুক্রবার থেকে সিন্ধু-সাইনা সহ পুল্লেলা গোপীচাঁদ ব্যান্ডমিন্টন অ্যাকাডেমিতে অনুশীলন শুরু করেন দেশের ৮ জন প্রথম সারির শাটলার। এদের মধ্যে ছিলেন কিদাম্বি শ্রীকান্ত, অশ্বিনী পোনাপ্পা, বি সাই প্রনীথ, সাত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি এবং এন সিক্কি রেড্ডি।

উল্লেখ্য, এর আগে সাই বেঙ্গালুরুতে জাতীয় হকি শিবিরেও হানা দিয়েছে করোনা। আক্রান্ত জাতীয় হকি দলের অধিনায়ক মনপ্রীত সিং সহ আরও পাঁচ জাতীয় দলের প্লেয়ার। বর্তমানে স্থানীয় মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রত্যেকে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও