সিডনি: শুভমন গিল ও রোহিত শর্মার ওপেনিং পার্টনারশিপে সিডনি টেস্টে শুরুটা মন্দ হল না ভারতীয় ব্যাটিংয়ের৷ অস্ট্রেলিয়ার ৩৩৮ রানের জবাবে ওপেনিং জুটিতে ৭০ রান যোগ করে ভারতীয় ওপেনিং জুটি৷ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি করলেন গিল৷ তবে ১৪ মাস পর টেস্ট ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তনটা ভালো হল না রোহিতের৷ দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারতের স্কোর দু’ উইকেটে ৯৬৷

৩১ জানুয়ারি, ২০১৯৷ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা-রেখেছিলেন পঞ্জাবের বছর কুড়ির এর তরুণ৷ বছর দু’য়েক আগে হ্যামিলটনে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে অভিষেক হয়েছিল শুভমন গিলের৷ প্রতিশ্রুতিমান হওয়ায় টেস্ট অভিষেক বিলম্বিত হয়নি পঞ্জাবের এই তরুণের৷ ২৬ ডিসেম্বর, ২০২০৷ মেলবোর্নে ঐতিহাসিক বক্সিং ডে টেস্টে অভিষেক হয় বছর একুশের গিলের৷ অভিষেকেই টপ-ক্লাস অজি পেস বোলিংয়ের বিরুদ্ধে নজর কাড়েন ভারতীয় এই তরুণ৷

মেলবোর্নে ৪৫ এবং ৩৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ভারতের বক্সিং ডে টেস্ট জয়ে অবদান রাখেন গিল৷ অল্পের জন্য অভিষেক টেস্টে হাফ-সেঞ্চুরি হাতছাড়া হলেও দ্বিতীয় টেস্টেই তা করে ফেললেন তিনি৷ শুক্রবার এসসিজি-ত নতুন বলে অজি বোলিংয়ের বিরুদ্ধে তাঁর সাহসী ব্যাটিংও প্রশংসা কুড়িয়ে নেয়৷ শেষ পর্যন্ত ৫০ রান করে প্যাট কামিন্সের বলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন টিম ইন্ডিয়ার এই তরুণ ওপেনার৷ ১০১ বলের ইনিংসে ৮টি বাউন্ডারি মারেন গিল৷

এর আগে অবশ্য ব্যক্তিগত ২৬ রান করে আউট হন রোহিত৷ এক বছরের বেশি সময় পর টেস্ট ক্রিকেটে ফিরে দারুণ শুরু করলেও বড় রান করতে পারেননি মুম্বইয়ের এই ডানহাতি৷ নতুন বলে মিচেল স্টার্ক, জোস হ্যাজেলউড এবং প্যাট কামিন্সের বিরুদ্ধে ২৭ ওভার ব্যাটিং করেন দুই ভারতীয় ওপেনার৷ লড়াই করেও বড় রান করতে ব্যর্থ হন রোহিত৷ ‘হিটম্যান’-কে কট অ্যান্ড বোল্ড করেন হ্যাজেলউড৷

রোহিত ও শুভমনের উইকেট হারালেও দিনের বাকি সময়টা সামলে দেন চেতেশ্বপূজারা ও ক্যাপ্টেন অজিঙ্ক রাহানে৷ দ্বিতীয় দিনের শেষে দু’উইকেটে ৯৬ রান তুলেছে ভারত৷ অস্ট্রেলিয়ার থেকে ২৪২ রানে পিছিয়ে টিম ইন্ডিয়া৷ পূজারা ৯ এবং রাহানে ৫ রানে ক্রিজে রয়েছেন৷ এর আগে স্টিভ স্মিথের দুরন্ত সেঞ্চুরি, মার্নাস ল্যাবুশানের ৯১ এবং অভিষেককারী উইল পুকোভস্কির ৬২ রানের দৌলতে প্রথম ইনিংসে ৩৩৮ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া৷ টেস্টে ক্রিকেটে এদিন তাঁর ২৭তম সেঞ্চুরিটি করেন স্মিথ৷ একই সঙ্গে ভারতের বিরুদ্ধে সর্বাধিক আটটি সেঞ্চুরি করে স্যর গ্যারি সোবার্স, স্যার ভিভ রিচার্ডস ও রিকি পন্টিংকে ছুঁয়ে ফেলেন তিনি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।