প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর: সকাল থেকেই উত্তপ্ত কাঁচড়াপাড়াল শুভ্রাংশুর সমর্থকদের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। পরিস্থিতি সামলাতে র‍্যাফ নামাতে হয়। মুকুল পুত্র শুভ্রাংশুকে কেন ‘ছোট গদ্দার’ বলা হল, তা নিয়ে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকেরা।

এদিন বৈঠকের জন্যই ওখানে গিয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সেখানেই হয় এই বিক্ষভ। পরে ঘটনা প্রসঙ্গে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, “শুভ্রাংশু বাচ্চা ছেলে, ওর যা বয়স তার থেকে বেশি কথা বলছে, আমরা ওকে বুঝিয়ে দেবো কত ধানে কত চাল। আগামী দিন গুলো এখনও পড়ে আছে।”একের পর এক পুরসভা ও পঞ্চায়েত বিজেপি দখল করে নিচ্ছে, এই প্রসঙ্গে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে নৈহাটি পুরসভা দখল মুক্ত করেছেন বাকিগুলোও আমরা সেই ভাবেই দখল মুক্ত করবো।”

এদিন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল নেতা মদন মিত্র, সুজিত বসু সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতারা। তাদের উদ্দেশ্যে ‘গো ব্যাক’ শ্লোগান দিতে শুরু করেন কাঁচরাপারার বিজেপি নেতা ও কর্মীরা। বৈঠক শেষে খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সাংবাদিকদের বলেন যে “বাইরে যা ঘটছে তার পরোয়া করি না। বিক্ষোভ দেখিয়ে কোন লাভ নেই আমি বিক্ষোভ কে ভয় পাই না আমাকে যেখান দিয়ে যেতে বলবে সেখান দিয়েই যাবো। ”

তাঁর দাবি, কিছু ক্রিমিনাল নিয়ে এলাকা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বিজেপি। যারা বিজেপি তে গেছে তারা মানসিক ভাবে যান নি কোমড়ে বন্দুক ঠেকিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ”আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি না কারন আমরা রাজনৈতিক লড়াই করি খুনের রাজনীতি তৃণমূল কংগ্রেস করে না।”

শনিবার দুপুরে তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে একটি ঘরোয়া বৈঠক শুরু হয় বীজপুরের সক্রিয় তৃণমূল নেত্রী আলোরানী সরকারের বাড়িতে। সেই বৈঠকে যোগ দিতেই এসেছিলেন জ্যোতিপ্রিয়।