এগরা: বই মানুষের সর্বক্ষণের সঙ্গী। বই এর বিকল্প কিছু হয় না। তাই আগের সেই শ্লোগান – “ভুখা মানুষ ধরো বই, ওটা তো হাতিয়ার” পাথেয় করেই সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানালেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

তিনি বলেনন, এই সরকারের আমলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও গ্রন্থাগার মন্ত্রীর হাত ধরে বই মেলা উৎসবে পরিনত হয়েছে। মেদিনীপুর জেলা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জেলা। সেই জেলায় বহু গুণী কবি, সাহিত্যিক, লেখক সুনামের সঙ্গে কাজ করে রাজ্য ও দেশের মুখ উজ্জল করে চলেছেন।এই জেলায় মানুষের মধ্যে বই পড়ার প্রবনতা আছে বলেই বই মেলায় বই ক্রয় হয়ে থাকে। আর সেই কারনেই গত কয়েক বছর ধরে এই জেলা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে ধারাবাহিক ভাবে পাশের হারে প্রথমস্থান দখল করে চলেছে।

বই মেলায় বই কেনা, বই পড়া, বই এর গন্ধ অনুভূতি করার মধ্য দিয়ে এই জেলা এগিয়ে যাক। শুক্রবার সন্ধ্যায় এগরার এগরা ঝাটুলাল হাইস্কুলে শুরু হয় ১৫ তম জেলা বই মেলা। ফিতে কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্যদিয়ে বই মেলার উদ্বোধন করেন রাজ্যের পরিবহন, সেচ ও জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, আনন্দ পুরস্কার প্রাপ্ত সাহিত্যিক নলীনি বেরা, জেলাশাসক পার্থ ঘোষ, স্থানিয় বিধায়ক সমরেশ দাস, শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ মধুরিমা মন্ডল সহ অন্যান্যরা। বই মেলায় মোট ৫১ টি স্টল রয়েছে। মেলা চলবে আগামী ৩০ শে জানুয়ারী পর্যন্ত। দেজ, দে, পারুল সহ বিভিন্ন পাবলিশার্স তাদের বই এর সম্ভার বই মেলায় তুলে ধরেছে।

আনন্দ পুরষ্কার প্রাপ্ত সাহিত্যিক নলীনি বেরা জানান, শুধু কলকাতা শহরের মধ্যে বই মেলা সীমাবদ্ধ না রেখে গ্রাম- গঞ্জেও বই মেলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ধীরে ধীরে তার প্রসারও ঘটছে। বই মানুষের অবসরের সঙ্গী ছিলো, আছে আগামী দিনেও তা থাকবে বলে আমি মনে করি।।