কলকাতা: “ইগনোরেন্স ইজ দ্যা বেস্ট পলিসি” হলেও সব সময় সবার ক্ষেত্রে একইরকমভাবে ইগনোর করা যায় না। অভিনেতা অভিনেত্রীরা পাবলিক ফিগার হওয়ার দরুন খুব সহজে অনায়াসেই তাঁদের দিকে কটু মন্তব্যের তীর বা ঝড় উঠে আসে। তা সে তাঁর চরিত্র নিয়ে হোক বা অভিনয় দক্ষতা কিংবা তাঁর বাহ্যিক সৌন্দর্য বা অ্যাপিয়ারেন্স।

অনেক আগে থেকেই রূপ দেখে কারুর চরিত্র বা গুণ বিচার করার প্রবণতা চলেই আসছে। তবে আজ সোশ্যাল সাইট বা ভার্চুয়াল দুনিয়া আমাদের হাতের মুঠোয় বলে এই প্রবণতা যেন আরও মাত্রাতিরিক্তভাবে দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি বাংলা টেলি জগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রুতি দাসকে আবার তাঁর গায়ের রং নিয়ে কটাক্ষ করে অত্যন্ত কুরুচিকর মন্তব্যের শিকার হতে হল। শ্রুতি বাংলা টেলি জগতের অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেত্রী। ত্রিনয়নীতে নয়ন হয়ে তাঁর যাত্রা শুরু হয়েছিল। যাঁরা গল্প এবং অভিনয়ের জন্যই কোন ধারাবাহিক দেখেন তাঁদের কাছে খুব সহজেই শ্রুতি হয়ে উঠেছিল নয়নের মণি। ত্রিনয়নী শেষ হওয়ার পরে শ্রুতিকে পাওয়া যাচ্ছে স্টার জলসায় সম্প্রচারিত ‘দেশের মাটি’তে নোয়ার ভূমিকায়।

দারুন অভিনয় এর মাধ্যমে অনেকের মন জয় করার পরেও কিছু বিকৃত মনের ব্যক্তির কাছে আজও কোন মানুষের বিচার হয় তাঁর গায়ের রং দিয়ে। বিশাল খান্দেরওয়াল নামে এক ব্যক্তি মেসেঞ্জারে শ্রুতিকে যারপরনাই অশ্রাব্য ভাষায় কুমন্তব্য করেন। বলেন শ্রুতির যখন করোনাই হয়েছিল, তখনই অভিনেত্রীর খারাপ কিছু কেন হয়নি। গায়ের রং নিয়ে মন্তব্যের শিকার শ্রুতি আগেও হয়েছেন, তবে এসব ক্ষেত্রে অনেক বিদ্বজ্জনেরা শ্রুতিকে বলে থাকেন এই সমস্ত ব্যাপার ইগনোর করতে। এইবার শ্রুতি এই লোকটির বক্তব্য সবার সামনে তুলে ধরার সঙ্গে সঙ্গে সেই বিদ্বজ্জনদের উদ্দেশ্য একটি বার্তা দিলেন। শ্রুতি বললেন , যদি তাঁদের বাড়ির কোন মেয়েকে রোজ রোজ এগুলো সহ্য করতে হতো তাহলেও কি তাঁরা বলত এড়িয়ে যেত? শ্রুতিকে সমর্থন করেছে তাঁর অনুরাগী থেকে সাধারণ মানুষ। শ্রুতির সামাজিক চেতনা এবং এই ধরনের মন্তব্য সবার সামনে তুলে এনে আজকের যুগে দাঁড়িয়ে যখন সভ্যতা এত উন্নত তখনো কিছু মানুষের এই বিকৃত মানসিকতা তুলে ধরার জন্য শ্রুতিকে বাহবা জানিয়েছেন সকলে।

শ্রুতির সোশ্যাল সাইট থেকে সংগৃহীত:
Nothing new though..!!
মাঝ রাতের খোরাক..!!
ম্যাক্সিমাম লোকজন বলেন-
“ এসব এড়িয়ে যাওয়াই উচিৎ “
একচুয়ালি তাই ই করি,কিন্তু আমার চোখ আর কান খুব খারাপ,
দূর থেকে আমায় নিয়ে পিএনপিসি করলেও আগে আমার কানে আসে,
অন্যায় দেখতে পেলেই আগে আমার চোখে পরে।
এরকম মেসেজ,কমেন্ট আজ নতুন না,
কিন্তু ইন্টেলেকচুয়াল লোকজন দের বলছি,যারা অহেতুক আগ বাড়িয়ে জ্ঞান দিয়ে যান,”ইগনোর ইগনোর”
তাদের কে ফেস করতে হবেনা.!!
আপনার বাড়ির একটা মেয়েকে এসব রোজ ফেস করতে হোক,সেদিন আমি যাব আপনাকে ফ্রি তে ইন্টেলেকচুয়াল বানী শোনাতে।
জয়গুরু ❤

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.